চালের দাম বাড়তি, সমাধানের উদ্যোগ সরকারের

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরু চালের দাম বেড়েছে। ভোজ্যতেল ও মসুর ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির ভেতর চালের দাম বাড়ায় মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে, যারা আগে থেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। গত ৪-৫ দিনের মধ্যে দেশের প্রধান এই খাদ্যপণ্যের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে।কারওয়ান বাজারে সরু মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা। ৭৫ থেকে ৭৬ টাকার নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজিতে। কারওয়ান বাজারের রনি রাইস এজেন্সির ব্যবস্থাপক কোরবান সরদার জানান, তারা সাধারণত মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট থেকে চাল কেনেন। কিন্তু সেখানকার ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের চালকল মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। কিন্তু সেখানেও দাম বেশি। গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমরা ৫০ কেজির প্রতি বস্তা আতপ চাল খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করেছি। একই পরিমাণ চালের জন্য মিল মালিকরা এখন আড়াই হাজার টাকা চাচ্ছেন।’

Manual6 Ad Code

কোরবান জানান, এখন খুচরা পর্যায়ে মোটা চালও বেশি দামে বিক্রি করতে হবে তাদের।

Manual7 Ad Code

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা স্থানীয় বড় কয়েকটি কোম্পানির কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে ধান কেনা এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জের আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিকে দায়ী করেন। তবে তারা জোর দিয়ে বলছেন, বাজারে চালের কোনো ঘাটতি নেই। এক সপ্তাহ আগে ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা জারির পর বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে গমের দামও বেড়ে যায়, যা চালের পর সর্বাধিক ব্যবহৃত খাদ্যশস্য। এভাবে গত ৫ মাসে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। রাজধানীর আদাবর এলাকার বাসিন্দা নাসির আহমেদ বলেন, ‘আপনি কি এমন কোনো নিত্যপণ্যের নাম বলতে পারেন যার দাম বাড়েনি। বাজারে আমাদের মতো মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে কেনার মতো কিছুই নেই।’

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code