চীন-ভারতের হট্টগোল, বাংলাদেশের কূটনীতিক ম্যারপাচে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

ভারত-চীনের সীমান্ত সংঘাতে মধ্যস্থতা করতে রাশিয়াও হয়তো এগিয়ে আসবে। ভারত ও চীনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঠিক আট দিনের মাথায় ২৩ জুন রাশিয়া, চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও তিন দেশের এই বৈঠক অনেক আগে থেকে নির্ধারিত ছিল, কিন্তু লাদাখের সীমান্ত সংঘাতের পর ভারতের তাতে যোগ দেওয়া অনিশ্চিত ছিল। কিন্তু রাশিয়ার অনুরোধেই নাকি শেষ পর্যন্ত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই বৈঠকে আসতে সম্মত হয়েছেন।

Manual6 Ad Code

এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ হচ্ছে ভারতের একমাত্র বন্ধুরাষ্ট্র। চীন-ভারত সংঘাতে বাংলাদেশের ভূমিকা তাহলে কী? সম্প্রতি চীনের বাজারে নতুন করে বাংলাদেশের ৫ হাজার ১৬১টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে দেশটি। তাকে বাঁকা চোখে দেখছে সরকারি ইশারায় চলা ভারতীয় মিডিয়া। এটিকে চীনের খয়রাতি সাহায্য হিসেবে বর্ণনা করেছে তারা। তাদের ভাষ্য, ভারতের সঙ্গে চীনের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপ ঢাকাকে কাছে টানার প্রচেষ্টা। আবার হঠাৎ করে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ডজনখানেক ভাড়াটিয়া দিয়ে আয়োজিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী অটুট রাখার ব্যানার নিয়ে দাঁড়ানো মানববন্ধনকে ভারতের মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করেছে বাংলাদেশের জনগণ চীন-ভারত সংঘাতে চীনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেমেছে। ভারত-বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মৈত্রীর কোনও ঘাটতি দেখা না দিলেও, এ ধরনের মানববন্ধনের নেপথ্য আয়োজক কে, মানুষ ঠিকই জানেন। তাই আমার সন্দেহ ঢাকা-দিল্লির রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক যতই মজবুত হোক, নরেন্দ্র মোদির আমলে ভারতীয় মিডিয়ায় নোংরা জাতীয়তাবাদী ভূমিকা, সাম্প্রদায়িক উসকানির কারণে দুদেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আগের মতো নেই।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code