

ডেস্ক রিপোর্ট: বার্লিনভিত্তিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই)
দুর্নীতির ধারণাসূচক প্রতিবেদনে ‘অস্পষ্টতা’ আছে বলে মনে করে দুর্নীতি দমন
কমিশন (দুদক)। সাংবিধানিক সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশের দুর্নীতির ধারণাসূচক টিআই
কোন কোন বিষয়ের ওপরে কী কী প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করেছে, তা নিয়ে প্রতিবেদনে
সুস্পষ্ট উল্লেখ নেই। তাই তাদের এই ধারণাসূচকের বিষয়ে মন্তব্য করারও কোনও
অবকাশ নেই।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের
সামনে এক ব্রিফিংয়ে এমন মন্তব্য করেন দুদকের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে
‘দুর্নীতির ধারণাসূচক ২০২৩’ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। দুর্নীতির ধারণাসূচক
প্রতিবেদনটি মঙ্গলবার একই সময়ে বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হয়। ২০০১ সাল থেকে
বাংলাদেশের দুর্নীতির চিত্র এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হচ্ছে। দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের
তালিকায় ১৮০টি দেশের মধ্যে দুই ধাপ অবনমন হয়ে যৌথভাবে দশম স্থানে রয়েছে
বাংলাদেশ। তবে এককভাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৩২, অর্থাৎ এ তালিকায়
বাংলাদেশের অবস্থান ৩১টি দেশের পরে। প্রতিবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের আজ
বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, ‘দুদক ও টিআই কেউ কারও
প্রতিপক্ষ নয়। দুদক একটি স্বাধীন সংস্থা, আইন ও বিধি মোতাবেক কাজ করে।
টিআই জার্মানভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থা। তারা গোটা বিশ্ব নিয়ে কাজ করে।
তারা তাদের ধারণা প্রকাশ করেছে। কীসের ভিত্তিতে করেছে তাও তারা বলেছে। তবে
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, তা অস্পষ্ট। কোথা থেকে
কতটুকু কী নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেটার কোনও ব্যাখ্যা নেই। দুদক থেকেও
তারা কোনও সহযোগিতা নেয়নি। তবে দুদক তার আইন অনুযায়ী কার্যক্রম চালিয়ে
যাচ্ছে।