

একসময় বিভিন্ন প্রধান সড়কেও কয়েকদিন জলাবদ্ধতা থাকতো। এখন আর প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতা হয় না। অল্প সময়ের মধ্যেই পানি ড্রেন, নালা গড়িয়ে খাল-নদীতে চলে যায়। অন্যদিকে ডিএসসিসির প্রকৌশল বিভাগ সূত্র জানায়, জলাবদ্ধতা নিরসনে তারা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে শাখা-প্রশাখাসহ ১১টি খাল বুঝে নেয়। এসব খাল থেকে ক্রমান্বয়ে সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এখনো খালগুলোতে পানি প্রবাহ রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া বক্স-কালভার্ট ও নর্দমা পরিষ্কার করা হচ্ছে নিয়মিত। এদিকে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জনবলসংকট কাটাতে নতুন পদ সৃষ্টির কথা থাকলেও সেটি বেশিদূর এগোতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জলাবদ্ধতা নিরসনে গত বছর জুলাইয়ে ডিএসসিসি ‘জলবদ্ধতা নিরসন শাখা’ নামে নতুন একটি বিভাগে কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কার্যালয়ে মোট ১১৪টি পদ এবং বাজার, বিপণিবিতান নির্মাণ ও সংস্কার শাখার রাজস্ব খাতে ১৪টিসহ মোট ১২৮টি পদের একটি প্রস্তাবনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। আর ডিএনসিসি ‘ড্রেনেজ সার্কেল’ নামে একটি বিভাগে ২৬৫টি ও সিটি স্যানিটেশন সেলে ৬৯টি পদ তৈরির প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠায় গত অক্টোবরে। এরপর গত মার্চে ডিএনসিসি ড্রেনেজ সার্কেলে ১৯৬টি এবং সিটি স্যানিটেশন সেলে ৬৬টি পদ তৈরির সংশোধিত প্রস্তাব পাঠায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে। তবে এখনো তা চূড়ান্ত অনুমোদন হয়নি।