

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ সোসাইটিতে তথাকথিত মামলার নামে গত ৩ বছর যাবত নির্বাচন বন্ধ রেখে বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দ অন্যায়ভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছেন। মেয়াদ উত্তীর্ন হয়ে গেলে মামলার নামে যদি বছরের পর বছর অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় থাকা যেতো, তাহলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা থেকে নেমে যেতেন না। অথবা ক্ষমতায় থাকার জন্য এদেশের সকল প্রফিট বা নন-প্রফিট সংগঠনে সবাই এটা করতো। কোথাও এটা করে না। কারন, মেয়াদ শেষ হলে ক্ষমতা ধরে রাখা এদেশের আইনে অনেক বড় অপরাধ। আমরা এটাকে Federal Crime হিসেবে মামলা করবো। অপরাধ প্রমানিত হলে অভিযুক্ত প্রত্যেককেই জেলে যেতে হতে পারে।
আমি কমিটির প্রত্যেকের নামে, যে কজন মামলা করেছিলেন এবং এখনো মামলা করেছেন তাদের প্রত্যেকের নামে, নির্বাচন কমিশনের প্রত্যেকের নামে এবং ট্রাষ্টি বোর্ডের প্রত্যেকের নামে ২৭,০০০ সদস্য/ভোটারের পক্ষে Class Action Lawsuits মামলা করতে চাই। ওরা ২৭,০০০ সদস্যের অধিকার নিয়ে খেলা করছেন। ওদের জন্যই আমাদের প্রিয় সংগঠনটি ধ্বংস হবার পথে। Enough is Enough. ওদেরকে আর সুযোগ দেয়া ঠিক হবে না। আমাকে ভালো উকিল দিয়ে আইনি সহযোগিতা করার জন্য, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতাকারী সকল প্রার্থী, সোসাইটির সকল সদস্য এবং সাবেক কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
আমার মামলার সাথে ২৭,০০০ সদস্যের মধ্যে আরও কে কে বাদী হতে আগ্রহী তারা আমার সাথে যোগাযোগ করুন। সোসাইটির অর্থ ও সুনাম নষ্ট করার জন্য ওদের প্রত্যেককে মাথাপ্রতি ১ মিলিয়ন ডলার করে দাবী জানিয়ে মামলা করা হবে। মামলায় জেতার পর যে পরিমান টাকা উঠবে, তার সবই আমরা সোসাইটির ফান্ডে দিয়ে দেবো। মনে রাখবেন, অনেক সময় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধে নামতে হয়। আমাদের এ লড়াই হলো আদর্শের লড়াই। আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করুন। খান শওকত, সাবেক সাহিত্য সম্পাদক, বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্ক ইনক।