

বিশেষ প্রতিবেদন: থেমে নেই অনলাইনে প্রকাশ্যে বন্যপ্রাণী বেচাকেনা। রীতিমতো চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি হচ্ছে পশু-পাখি। এমতাবস্থায় বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। মিরপুর-১ নম্বর, টঙ্গী, রামপুরার বনশ্রীসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় সপ্তাহের নির্দিষ্ট একদিন নিয়মিত পশু-পাখির হাট বসে। সেসব হাটে বিভিন্ন প্রজাতির পোষা প্রাণী ছাড়াও ময়না, টিয়া, শালিকসহ নানা ধরনের বন্যপাখি বিক্রি করতে দেখা যায়। যা ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২’অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অস্থায়ী হাটগুলোতে মূলত বন্য পশু-পাখি বিক্রির সঙ্গে জড়িত দুই ধরনের বিক্রেতা। এর মধ্যে অপেশাদারের সংখ্যা হাতে গোনা হলেও পেশাদার ব্যবসায়ীর সংখ্যাটাই বেশি। পেশাদার ব্যবসায়ীরা হাটের পাশাপাশি ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপণ দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির পশু-পাখি বিক্রি করে থাকে। আবার কেউ কেউ শুধু অনলাইনেই এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। পশু-পাখিভিত্তিক বাণিজ্যিক বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলেও এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, অনলাইনে যেসব ব্যবসায়ী পশু-পাখি বিক্রি করছে, তাদের অধিকাংশের নিজস্ব ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেসব পেজ ও চ্যানেলে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে ময়না, টিয়া, শালিক ও ঘুঘু পাখিসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিক্রি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে স্টিল ছবির পাশাপাশি ভিডিও প্রকার করছে তারা।