নামাজের সময় যেমন পোশাক পড়বেন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual2 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: পোশাককে আল্লাহ তাআলা নেয়ামত হিসেবে দান করেছেন। এর দ্বারা দুটো লক্ষ্য অর্জিত হয়। একটি হলো লজ্জাস্থান আবৃত করা হয়। আর দ্বিতীয়টি হলো মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যক্তিকে তার অবস্থা অনুযায়ী পোশাক পরতে বলতেন। পোশাক পরার ব্যাপারে কৃপণতা করতে নিষেধ করতেন।

Manual7 Ad Code

হাদিসে এসেছে, হজরত আহওয়াস তার বাবা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিম্ন মানের একটি পোশাক পরে উপস্থিত হলাম। তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন, তোমার কোনো সম্পদ আছে কি? তিনি বললেন, হ্যা। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন তাকে বললেন, কি ধরনের সম্পদ আছে? তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলা আমাকে উট, ছাগল, ঘোড়া এবং গোলাম দান করেছেন।

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যেহেতু আল্লাহ তায়ালা তোমাকে সম্পদ দান করেছেন তাই আল্লাহর এ অনুগ্রহের নমুনা ও মর্যাদা তোমার মধ্যে প্রকাশ পাওয়া আবশ্যক।’ (আবু দাউদ)

Manual4 Ad Code

পোশাকের প্রধান উদ্দেশ্যই হল সতর ঢাকা। আল্লাহ তাআলা বলেন,

‘হে বনী আদম! আমি তোমাদের জন্য অবতীর্ণ করেছি পোশাক, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং সৌন্দর্য দান করে।’ (সূরা আ’রাফ ২৬)

Manual8 Ad Code

আলোচ্য আয়াত থেকে বোঝা যায়, যে পোশাক পরিধানের পরও সতর দেখা যায় কিংবা সতরের আকৃতি পোশাকের উপরে ফুটে উঠে তা-ও সতর আবৃত না করার কারণে নাজায়েয পোশাকের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের পোশাক পরিধান করা হারাম; সুতরাং নামাজে এ ধরণের পোশাক পরিধান করা যাবে না।

পক্ষান্তরে যে পোশাক পরিধানের পর সতরের আকৃতি পোশাকের উপরে ফুটে উঠে না, তা নামাজে পরিধান করা যাবে। তবে নামাজে কেবল সতর আবৃত করতেই নির্দেশ দেওয়া হয়নি, বরং সাজসজ্জার পোশাকও পরিধান করতে বলা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code