ন্যায্য পাওনা পরিশোধে আর সময়ক্ষেপণ নয়

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual2 Ad Code

সম্পাদকীয়: বিমানের স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া (ভিআরএস) কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

Manual3 Ad Code

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিমানকে কোম্পানিতে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর বিমানের জনবল ৩ হাজার ৪০০তে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়।

Manual7 Ad Code

এজন্য ওই বছরের ৪ জুন স্বেচ্ছা অবসরে যেতে আগ্রহী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিমানের প্রেসক্রাইবড ফর্মে আবেদন করার আহ্বান জানিয়ে আবেদনকারীদের ১ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ থেকে স্বেচ্ছা অবসর কার্যকর হবে বলে জানানো হয়। কথা ছিল, যারা স্বেচ্ছায় অবসরে যাবেন, তাদের নির্দিষ্ট হারের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিধি মোতাবেক প্রাপ্য অবসরজনিত পূর্ণ সুবিধাও তারা পাবেন, যার মধ্যে থাকবে বোনাস, মেডিকেল ভাতা, টিকিট ইত্যাদি। এ পরিপ্রেক্ষিতে তখন বিমানের ১ হাজার ৮৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আবেদন করেন, যাদের সবাই পরে স্বেচ্ছায় অবসরে গেছেন। এ বিষয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তিও সম্পাদিত হয়েছিল। কিন্তু পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সার্কুলারের কারণে এটি বাস্তবায়নে অপারগতা প্রকাশ করে বিমান কর্তৃপক্ষ। তবে ভুলে গেলে চলবে না, বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া শর্ত অনুযায়ী বিমান কর্তৃপক্ষ ও স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণকারীদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। দুই পক্ষের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের পর নতুন করে শর্ত আরোপ বা অজুহাত তৈরির কোনো সুযোগ নেই। এমনটি ঘটলে তা হবে চুক্তির লঙ্ঘন।

বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের পর ইতোমধ্যে কেটে গেছে দীর্ঘ ১৬টি বছর। এ দীর্ঘ সময়ে প্রাপ্য সুবিধা আদায়ের জন্য তারা বিমানের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে অসুস্থ অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এরই মধ্যে অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী মারাও গেছেন। বিগত দুই বছর ধরে জীবনযাত্রার ব্যয় যে হারে বেড়েছে, তাতে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত শ্রেণির পক্ষে জীবনের চাকা সচল রাখা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণকারী বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code