পাকুন্দিয়ায় জমিতে হলুদ রঙের তরমুজ চাষ

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual1 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

মো.মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় দাওরাইট গ্রামের এক যুবক মো.ইসমাইল লেখাপড়া শেষ করে বাড়ির সামনে ২৫শতাংশ জমিতে হলুদ রঙের তরমুজ চাষ করেছেন। তার সাথে সাম্মাম ফলের চাষও করেছেন।

কৃষক ইসমাইল বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে তরমজু চাষ করেছি। ফলন এখন ভালো হয়েছে। জমির চারপাশ দিয়ে নেট সুতার বেড়া দিয়েছি। চুরের ভয়ে সারাক্ষণ পাহাড়া দিতে হয়।

এলাকার কৃষক আওসাফ উদ্দিন মাস্টার জানান, আঙিয়াদী ব্লকের দাওরাইট গ্রামে ইসমাইল একমাত্র হলুদ তরমুজ চাষ করেছেন।

Manual8 Ad Code

পাকুন্দিয়া উপজেলায় আগে কখনো কেউ এই তরমুজ চাষ করেনি। তাই উৎসকু লোকজন একনজর এই তরমুজ দেখতে খেতে ভীড় করছেন।

কৃষক ইসমাইল আরও বলেন, বাজারে তরমুজের বীজ কিনার সময় জানতে পারি হলুদ জাতের এক ধরনের তরমুজের বীজ বাজারে এসেছে। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় সেই বীজ এনে রোপণ করে অনেক যত্ন নেওয়ার পর গাছে ব্যাপক ফলন ধরেছে।

জানা গেছে, পড়ালেখা শেষ করে বেকার ছিলেন ওই যুবক। করোনার এমন পরিস্থিতিতে বসে না থেকে সে কিছু একটা করার চিন্তা করেন। আঙিয়াদী ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হামিমুল হক সোহাগের পরামর্শে ও উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় তিনি তার পৈত্রিক জমিতে হলুদ রংয়ের তরমুজ চাষাবাদ শুরু করেন। প্রথম অবস্থায় ২৫শতক জমিতে তিনি এর চাষ শুরু করেন। প্রথমবারেই বেশ ফলন হয়েছে। ওই জমিতে তার চারশ’র মতো গাছ রয়েছে। যার প্রতিটিতে ৪-৫টি করে তরমুজ এসেছে। অল্প সময়ে এ জাতের তরমুজ চাষে যে পরিমাণ ফলন এসেছে তা থেকে তিনি ভালো লাভবান হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

আঙিয়াদি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হামিমুল হক সোহাগ বলেন, বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে ওই যুবককে পর্যাপ্ত পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়েছে। এতে প্রথমবার চাষাবাদে সে সাফল্য পেয়েছে। এতে সে বেকারত্ব মোচন করে আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code