

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের প্রযুক্তি বাজারে নতুনের চেয়ে পুরনো কম্পিউটার-ল্যাপটপ বিক্রি বেশি হচ্ছে। নতুনের দাম বেশি হওয়ায় পুরনো এ পণ্যের প্রতি ঝুঁকছেন ব্যবহারকারীরা। শুধু মূল্যবৃদ্ধির এই কারণে নতুন ল্যাপটপ-কম্পিউটারের বিক্রি মাসে পাঁচ থেকে ছয় হাজার ইউনিট। আর পুরনো বিক্রি ১০ হাজারেরও বেশি।
কিন্তু ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানতে চান, কত দিন ব্যবহার করা হলে কম্পিউার-ল্যাপটপকে পুরনো বলা হবে? শুধু এই বিষয়টা পরিষ্কার না থাকায় বাজারে নতুন-পুরনোর দ্বন্দ্বে সংকটে পড়েছেন ক্রেতারা। তবে বিক্রেতারা আছেন ভয়ে।
কত দিন ব্যবহারের পর আধুনিক এই প্রযুক্তিপণ্যগুলোকে পুরনো বলা যাবে, তার নির্দিষ্ট কোনও সংজ্ঞা নেই। ফলে কেউই জানে পুরনো কম্পিউটার কী।
তবে আমদানি নীতি ঘাঁটলে দেখা যায়, পুরনো কম্পিউটার একটি আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য। আমদানি নীতি-২০২২ -এ যে ২১ ক্যাটাগরির পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে রিকন্ডিশন্ড অফিস ইক্যুইপমেন্ট (যেমন: ফটোকপিয়ার, টাইপরাইটার, টেলেক্স, ফোন, ফ্যাক্স, পুরনো কম্পিউটার ও কম্পিউটার সামগ্রী এবং পুরনো ইলেকট্রনিকস সামগ্রী)। আমদানি নীতিতেও পরিষ্কার করে বলে দেওয়া নেই বিষয়টি। শুধু পুরনো বলেই ক্ষান্ত দেওয়া হয়েছে।