পূজার শাড়িতে দেশি আলপনা আর ফুল

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

পীযুষ পড়াশোনার পাট চুকিয়েছেন ২০০৩ সালে। তারপর ঢাকার এক স্কুলে শুরু করেন শিক্ষকতা। শিশুদের আঁকাআঁকি শেখাতে ভালো লাগত তাঁর। তবু নিজে যে আলপনা করছেন না, ছবি আঁকছেন না, এ নিয়ে মনে একটা দুঃখবোধ লেপ্টে থাকত। এরই মধ্যে ২০০৮ সালে তাঁর মা মারা গেলেন। তারপর ২০১৮ সাল থেকে পীযুষ বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে দেশি শাড়িতে আলপনা আঁকতে শুরু করেন। তিনি কেবল সেসব আলপনাই আঁকতেন, যেগুলোর একটা সাংস্কৃতিক তাৎপর্য আছে; ছোটবেলা থেকে যে আলপনাগুলো দেখে তিনি শিল্পী হতে চেয়েছিলেন। শহরে তো মাটির ঘর নেই। আলপনার সংস্কৃতি অনেকটাই কমে এসেছে। কিন্তু ছোটবেলার স্মৃতিজাগানিয়া সেই আলপনাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে পীযুষ ক্যানভাস হিসেবে বেছে নিলেন শাড়ির আঁচল ও পাড়।

Manual5 Ad Code

Manual7 Ad Code

শাড়িতে আলপনা ছাড়াও নানান ফুল আঁকেন পীযুষ। দেশি ফুলগুলো মানুষের কাছে পরিচিত করতেই শাড়িতে দেশি ফুল আঁকার এই ভাবনা এসেছে তাঁর মাথায়। পীযুষের মতে, পোশাক কেবল পরিধানের নয়, সেটা শেখার মাধ্যমও হয়ে উঠতে পারে। পোশাকে আঁকা ফুল দেখে যাঁরা পোশাকগুলো গায়ে চড়াচ্ছেন, তাঁরা যেমন ফুলগুলোর নাম জানছেন, তেমনি তাঁদের পরিচিতজনদেরও নামগুলো বলতে পারছেন বলেই মনে করেন পীযুষ। তিনি বলেন, ‘শাড়িতে একটা ফুল দেখে কেউ হয়তো সেটার নাম জানতে চাইবে। অপরাজিতা, নয়নতারা, সন্ধ্যামালতী, জুঁই, চামেলি, বকুল, পারুল—আমাদের দেশের ফুলগুলো যেমন সুন্দর, ফুলের নামগুলোও। আমি চাই, এই ফুলগুলো মানুষ চিনুক, নামগুলো জানুক। তাহলেই আমার ভালো লাগবে। কেউ যখন দেশি ফুলের নাম চেনে, আমি খুশি হয়ে যাই।’

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code