

ডেস্ক রিপোর্ট: ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যুগের বদৌলতে এখন যেকোনও
দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক কার্টুন দেখার সুযোগ পায় শিশুরা। তেমনি
আমাদের দেশের শিশুদের কাছেও গোপাল ভাঁড়, মোটু-পাতলু, ডোরেমন, টম
অ্যান্ড জেরিসহ বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির নানা ধরনের কার্টুন খুব
পরিচিত। কিন্তু বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে কিছু কার্টুন থাকলেও তা
শিশুদের মধ্যে আগ্রহ জাগাতে পারছে না।
শিশুদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, মনস্তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে দেশি
কার্টুনের অভাব আছে, শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বইমেলায় শিশু চত্বরে
এমনটাই জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সকালে বাংলা একাডেমির বিশেষ
আয়োজন শিশু প্রহরে যথারীতি উপস্থিত ছিল সিসিমপুরের হালুম, শিকু,
টুকটুকি, ইকরি। তাদের সঙ্গে নেচেগেয়ে উচ্ছ্বসিত সময় কাটায় শিশুরা। এ
ছাড়া গান, আবৃত্তি ও নাচে শিশু প্রহর মাতিয়ে তোলে সোসাইটি ফর দ্য
ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ফর অটিস্টিক চিলড্রেনের (সোয়াক) বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা।
শিশু প্রহর শেষে কথা হয় অভিভাবকদের সঙ্গে। কার্টুন সম্পর্কে তারা
জানান, দেশে সিসিমপুর ও মীনার মতো ভালো কার্টুন থাকলেও, অন্য
কার্টুনগুলো শিশুদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করে না। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও
শিশুদের বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির কার্টুন দেখতে দেন তারা। ফলে তারা
বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতিতে প্রভাবিত হচ্ছে। তবে শিশুদের মধ্যে আগ্রহ
তৈরি করে, এমন শিক্ষামূলক কার্টুন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে
করেন তারা, যা নিজ দেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
তৈরি ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে সাহায্য করবে।