বনোপোলে কমেক্যিাল জাতীয় পর্দাথ যত্র তত্র : ভয়াভহ স্বাস্থ ঝুকতিে এলাকাবাসী

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

বনোপোল (যশোর):
দশেরে একমাত্র বৃহত্তম স্থলবন্দর বনোপোলে কমেক্যিাল জাতীয় পর্দাথ যত্র তত্র ফলেে রাখায় ভয়াভহ স্বাস্থ ঝুকতিে পড়ছেে এলাকাবাসী।
বন্দর কতৃপক্ষ জানায় বগিত কয়কেবার বন্দরে ভয়াভহ অগ্নকিান্ডে পুড়ে যাওয়া মালামালরে র্বজ্য বন্দররে অভ্যন্তরে সংরক্ষতি করা হয়ছে।ে আইনী জটলিতার কারনে আপাতত র্আবজনা সরানো সম্ভব না বলে তারা জানান।
দশেে শল্পি কারখানায় ব্যবহৃত যে কাঁচামাল কমেক্যিাল ভারত থকেে আমদানি হয়ে থাকে তার ৭০ শতাংশ বনোপোল বন্দর দয়িে হয়। এসব পণ্যরে মধ্যে বভিন্নি ধরনরে অ্যাসডি, রাসায়নকি দ্রব্য ও কমেক্যিাল জাতীয় পাউডার ও বস্ফিোরক দ্রব্য রয়ছে।ে কছিু কছিু রাসায়নকি পণ্য এতো বপিদজনক যে ট্রাকে বা গোডাউনে থাকা অবস্থায় তজেস্ক্রয়ি হয়ে আগুন ধরে যায়। গত তনি বছরে বনোপোল বন্দরে এ ধরনরে ছোট বড় চারটি অগ্নকিান্ডরে ঘটনা ঘটছে।ে অগ্নকিান্ডরে পর ওই সব কমেক্যিালরে র্বজ্য নরিাপদ কোনো জায়গায় না সরয়িে বছররে পর বছর বন্দররে জনবসতি এলাকায় ও বন্দর অভ্যন্তরে ছড়য়িে ছটিয়িে রখেছেে র্কতৃপক্ষ। এতে মারাত্মকভাবে পরবিশে দূষণ হচ্ছ।ে
ভুক্তভোগী বন্দর এলাকার গ্রামবাসীরা জানান, বন্দররে র্বজ্যরে কারণে বভিন্নিভাবে তারা রোগব্যাধতিে আক্রান্ত হচ্ছনে। এছাড়া বন্দররে মধ্যে থকেে অ্যাসডি মশ্রিতি পানি প্রবশে করছে জনবসতি এলাকায়। এতে তাদরে চলাচল ও বসবাস করা কঠনি হয়ে পড়ছে।ে গত ২০ বছর ধরে ভুক্তভোগী মানুষ বন্দর র্কতৃপক্ষরে কাছে এর থকেে পরত্রিাণরে দাবি জানয়িে চঠিি দয়িছে।ে কন্তিু এ র্পযন্ত কোনো ব্যবস্থা নয়েন।ি
বনোপোল বন্দররে আমদানকিারক মফজিুর রহমান সজন জানান, বন্দররে ধারণ ক্ষমতা ৪০ হাজার মট্রেকি টন। কন্তিু সখোনে সব সময় পণ্য থাকে প্রায় এক লাখ মট্রেকি টন। এতে জায়গা না পয়েে মূল্যবান সামগ্রী খোলা আকাশরে নচিে রাখতে হয়। ফলে পণ্যরে গুণগতমান নষ্ট হয়।
বনোপোল স্থলবন্দররে উপ-পরচিালক (প্রশাসন) আব্দুল জললি জানান, আমদানকিৃত ভারতীয় কমেক্যিাল পণ্যে আগুন ধরে এ র্বজ্যরে সৃষ্টি হয়ছে।ে দ্রুত যাতে এসব র্বজ্য নষ্কিাশন করা যায় এজন্য সব ধরনরে চষ্টো করা হচ্ছ।ে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code