

সম্পাদকীয়: দেশে আগাম বন্যা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে প্রতি বছর হাওর অঞ্চলে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে ফসলাদি তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। অনেক কৃষক নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এ বছর সিলেট ও হাওর অঞ্চলে অস্বাভাবিক বন্যা দেখা দেয়। সিলেট শহরের অনেক এলাকা তলিয়ে যায়, যা ছিল অকল্পনীয়। অসময়ে এ বন্যায় কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। এ বন্যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের বন্যা হওয়ার পূর্বাভাসে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। তারা বলেছেন, লা নিনা ও হিমালয়ের হিমবাহ গলার কারণে এ বছর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বন্যা হবে। পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তারা বলেছেন, ১৯৮৮, ১৯৯৮ এবং ২০১৬ সালে বড় ধরনের বন্যা হয়েছিল লা নিনা শক্তিশালী থাকার কারণে। চলতি বছর মাঝারি মানের লা নিনা’র বছর। এতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ও বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে স্বাভাবিক এবং তার চেয়ে একটু বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এটাই বন্যার কারণ হয়ে উঠবে। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন।