

ডেস্ক রিপোর্ট: নতুন বল নিয়ে বাংলাদেশকে ১০ রানে অলআউট করার পর আমরা ৫০০ রান করতে চাই’- কথাগুলো ছিল আফগানিস্তানের প্রধান কোচ জনাথন ট্রটের। বুধবার প্রথম দিনে তার শিষ্যরা বিধ্বস্ত হওয়ার পরও এমন সুরে কথা বলেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার অবশ্য ১০ রানে বাংলাদেশের বাকি ৫ উইকেট নিতে না পারলেও ২০ রান নিয়ে স্বাগতিকদের ইনিংস গুটিয়ে দিতে পেরেছিল। কিন্তু ব্যাটিংয়ে শিষ্যরা ৫০০ রান তো দূরে থাক, ফলোঅনও এড়াতে পারেনি। প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তান ১৪৬ রানে অলআউট হয়েছে। ম্যাচের যা পরিস্থিতি তাতে একমাত্র টেস্টে দ্বিতীয় দিনেই বাংলাদেশ জয়ের সুবাস পাচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেট হাতে রেখে ৩৭০ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। নিশ্চিতভাবেই শুক্রবার পুরো দিন ব্যাটিং করে আফগানিস্তানকে রান পাহাড়ে পিষ্ট করতে চাইবে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দল।
প্রথম দিন নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি (১৪৬), মাহমুদুল হাসান জয়ের হাফ সেঞ্চুরির (৭৬) পর বড় সংগ্রহের কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আগের দিন ৭২ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকা মুশফিক (৪৮) এবং মিরাজ (৪৬) দিনের শুরুতেই সাজঘরে ফিরেছেন। তাতে প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে পড়ায় মাত্র ২০ রান যোগ করে ৩৮২ রানে শেষ হয়েছে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস। খুব বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে না পারলেও সমস্যায় পড়তে হয়নি লিটন দাসের দলকে। দলের পেসার এবাদত হোসেন ও শরিফুল ইসলামের পরিকল্পনা মাফিক বোলিংয়ে দ্রুত আফগানিস্তানকে চাপে ফেলে তারা।
একটা সময় বড় বড় দলগুলো বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলায় মেতে উঠতো। প্রেসিডেন্ট বক্সে বসে খেলা দেখা হাবিবুল বাশার সুমন নিশ্চয়ই পুরনো দিনে ফিরে গিয়েছিলেন! তার নেতৃত্বে খেলার সময়টাতে টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংস হার যেন নিয়মিত ঘটনা ছিল। নির্দিষ্ট পরিকল্পনায় বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটারদের অনায়াসেই আউট করে দিতো প্রতিপক্ষের বোলাররা। সার্কেলের মধ্যে দশ ফিল্ডার রেখে যেন উপহাসই করতো বাংলাদেশকে নিয়ে।