

রিয়াদ আহাদ :দেশ ও প্রবাসের মেলবন্ধন হয়ে গৌরবের প্রকাশনায় বাইশ বছরের সংবাদপত্র বাংলা কাগজের উদ্যোগে আগামী ২৪ অগাষ্ট জার্মানের রাজধানী বার্লিনে অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে জার্মানী বাংলা কাগজ কমিউনিটি এওয়ার্ড -২০২৬। এই আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও ভেন্যু পরদির্শনসহ আনুষাঙ্গিক কাজে গত সপ্তাহে এক ঝটিকা সফরে আমিও বাংলা কাগজের বিশেষ প্রতিনিধি লোকমান হোসেন কাজী বার্লিন ঘুরে এসেছি। সংক্ষিপ্ত এই সফরে কউিনিটির নানাজনের সাথে সাক্ষাত হলো। আতিথেয়তায় আন্তুরিকতায় অনেকের সাথেই সাক্ষাত হয়েছে যার অনেক ছবি তুলাই হয়নি। এরমধ্যে বিশেষ করে যার কথা বলতেই হয় তিনি হলেন বার্লিনের প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আকুল মিয়া। বার্লিনে যে ক‘দিন ছিলাম সেদিনগুলোতে প্রতিদিনই খোজ খবর নেওয়া বিভিন্ন জনদের সাথে যোগাযোগ করিয়ে স্বশরীরে দেখা করতে নিয়ে যাওয়া সর্বোপরি বাংলা কাগজ কমিউনিটি এওয়ার্ডের বার্লিন আয়োজনে সর্ব্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া ব্যক্তিটি হলেন এই আকুল মিয়া। তার আন্তুরিকতায় মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। বার্লিন যাওয়ার পুর্বে আমার কিছু স্বজন বন্ধুরা যারা আগে বার্লিন ট্যূর করেছেেিলন তারা সকলেই আকুল মিয়ার আন্তরিকতা আথিতেয়তা অবহিত করেছিলেন যা আমিও অনুধাবন করলাম। আসলেই তিনি আগাগোড়া অত্যন্ত বিনয়ী ও সামাজিক মানুষ। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা তার প্রতি।
এছাড়া আরেক প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব যিনি আশির দশকে বাংলাদেশী একটি বড় গ্রুপকে বৈধ হওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকার রেখেছেন সিলেটের জগন্নাথপুরের শ্বপন পুরকায়স্থ এর কথা আলাদাভাবে বলতে হয়। ভদ্রলোক তার কার্জ কর্ম ফেলে রেখে যে সময় দিয়েছেন তা বলা বাহুল্য। আরো যাদের সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লেগেছে তার মধ্যে অন্যতম হলেন বিশিষ্ট লেখক ও কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট মোহাম্মদ হানিফ পলাশ,উদযাপন কালচারাল সোসাইটি বার্লিনের সমন্বয়ক রাসেল ও জিসু দা,জার্মানের বাংলাদেশীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় রেষ্টুরেন্টে কানকুনের পরিচালক কাজী সুরুজ,ভোজন বিলাস রেষ্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আবু হানিফ,বাবু বাজার বাংলাদেশী গ্রোসারী সোপে বিয়ানীবাজারের হোসেন,টিম বিডি এর প্রিন্স ও ঝিনাইদহের আফতাব বেপারী অন্যতম। এরমধ্যে জার্মানে অনুষ্ঠিতব্য বাংলা কাগজ কমিউনিটি এওয়ার্ড নিয়ে বিশিষ্ট লেখক ও কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট মোহাম্মদ হানিফ পলাশ ও উদযাপন কালচারাল সোসাইটি বার্লিনের সমন্বয়ক রাসেল এর সহযোগিতার প্রসারিত হাত অনেক তথ্য পেতে সহযোগিতা করেছে। তারা এই আয়োজনটি সফল করতে এখনো নানাভাবে কাজ করছেন। ভোজন বিলাস রেষ্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আবু হানিফের কাছ থেকেও অনেক তথ্য উপাত্ত পেয়েছি ; যা আমাদের অনেক কাজে লাগবে। বৃহত্তর সিলেট সংগঠনের মাহবুবও নানাভাবে খোজ খবর নিয়েছেন ; ব্রিটেনে ফিরে আসবার শেষদিনের মধ্যরাতে আনহার মিয়া ও রেদোয়ান হোটেলে এসে দেখা করে ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ দেখিয়েছেন তা মনে থাকবে অনেক দিন। আপনাদের সকলের প্রতি ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা ও শুভাশীষ। ভালো থাকুন আপনারা অবশ্যই দেখা হবে শীঘ্রই।
কমিউনিটির মানুষদের সাথে দেখা সাক্ষাতের পাশাপাশি আমরা অনুষ্টানের ভেন্যু মেলিয়া হোটেল বার্লিন পরিদর্শন করা ছাড়াও দুই জার্মান সংযুক্ত হওয়ার বার্লিন দেওয়াল,আলেকজান্ডার প্লাজাসহ বেশ কিছু পর্যটন স্পট ঘুরেছি। বার্লিন আসলেই ঘুরে দেখার মতো বিশেষ একটি স্থান ; সে কারণে বার্লিনে পর্যটকদের ভীড় লেগেই থাকে। আমাদের সঙ্গে জার্মান বাংলা কাগজ কমিউনিটি এওয়ার্ডে যোগ দিতে যাওয়া অতিথিরা নিঃসন্দেহে বার্লিনকে উপভোগ করবেন এটা নির্দ্ধিধায় বলতে পারি। তবে শেষ কথা হলো এই ঝটিকা সফরে অনেকের সাথেই দেখা কিংবা কথাও হয়নি। এরমধ্যে বাংলা কাগজের একটি টিম ফ্রাংকফোর্ট,মিউনিখ,কলোনসহ অন্যন্য শহর ঘুরে বার্লিনে যাবে। এই টিমে আমিও আছি। অবশ্যই অন্যান্যদের সাথে দেখা ও কথা হবেই।
রিয়াদ আহাদ
বার্মিংহাম,যুক্তরাজ্য।