বিএনপি-জামায়াত বাঙালি জাতিসত্তাকে কলঙ্কিত করতে চায়: নাছিম

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাঙালি জাতিসত্তা, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে রক্ষা করব। বিএনপি-জামায়াত নামক গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে আমাদের বাঙালি জাতিসত্তাকে কলঙ্কিত করতে চায়। এরা অসাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠানগুলোকে নষ্ট করে আমাদের ঐতিহ্যগুলোকে নষ্ট করতে চায়।

Manual7 Ad Code

রোববার সকালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষে রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

Manual1 Ad Code

নাছিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক জঙ্গিগোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা করে। বিএনপি-জামায়াতের হাত থেকে আমাদের জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদের এগিয়ে যাওয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ আমাদের গড়ে তুলতে হবে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূল বিষয় হলো- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় আমাদের ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে হবে। এই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে রক্ষা করার জন্য দেশরত্ন শেখ হাসিনা দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করেছেন।

Manual1 Ad Code

এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, রমনার বটমূলে যে বৈশাখী অনুষ্ঠান হয় সেই অনুষ্ঠানটি খালেদা জিয়া সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্ধ করে দিয়েছিল। বাঙালি জাতির বৈশাখী যে আয়োজন হতো সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কারণ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে উঠুক এটি বিএনপি-জামায়াত চায়নি।

Manual2 Ad Code

তিনি বলেন, আমাদের বাঙালি জাতিসত্তার সবচেয়ে বড় যে উৎসব, যেখানে সব ধর্মের, সব বর্ণের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমাদের চেতনাকে, সংস্কৃতিকে, ঐতিহ্যকে লালন করে আসছি। আজকের এ শুভ দিনে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাঙালির চেতনা, সার্বজনীন চেতনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে নিয়ে যাব, রক্ষা করব ও পালন করব- এই আমাদের অঙ্গীকার।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজরাজনীতি এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code