

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: অর্থ পাচার মামলায় প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি আবুল কাশেম গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রবাসে সর্বত্র আলোচনা চলছে। এ ঘটনায় বিব্রত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। সাংগঠনিক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন নেতারা। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সাধারণ প্রবাসীরাও।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড, সিদ্দিকুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম অর্থ পাচারের অভিযোগে ঢাকার পুলিশ গ্রেফতার করেছেন বলে দেশে ও প্রবাসে খবর প্রকাশিত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তির অবনতি ঘটিয়েছে। কেন্দ্রের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী যথাযথ গুরুত্ব সহকারে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি জানান, আবুল কাশেমের এহেন কথিত কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবাসী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগর অনেক নেতা রাতারাতি কোটিপতি হয়েছেন। আবুল কাশেম গ্রেপ্তার হওয়ায় তাদের আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে অর্থ পাচারের মামলায় আবুল কাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি। ২৬ জুন সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম আরাফাতুল রাকিব রিমান্ডের এই আদেশ দেন বলে আদালত পুলিশের কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানিয়েছেন।