বিশ্বব্যাংক তরুণ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ঋণ দিচ্ছে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ  করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শহরের তরুণ জনগোষ্ঠী এবং দেশে ফিরে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানে অর্থসহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। তরুণ ও দেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের জন্য বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ২০ কোটি ডলার। বর্তমান বাজার দরে যার পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

Manual7 Ad Code

‘অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক প্রকল্পে এই টাকা খরচ করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তাঁদের বেশির ভাগই শহুরে তরুণ এবং ছোট উদ্যোক্তা। ছোট উদ্যোক্তারা যাতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে, সেই সহায়তাও দেওয়া হবে প্রকল্পটি থেকে।

Manual8 Ad Code

এই প্রকল্পের আওতায় দেশে ফিরে আসা ২ লাখ প্রবাসী শ্রমিককে সহায়তা দেওয়া হবে। তাঁরা যাতে পুনরায় বিদেশে ফিরে যেতে পারেন কিংবা স্থানীয় শ্রমবাজারে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ প্রকল্প থেকে প্রবাসীদের নগদ অর্থ দেওয়া হবে, পাশাপাশি দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ ও কাউন্সেলিং।

Manual5 Ad Code

বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশে ফেরত আসা প্রবাসী শ্রমিকদের অনেকে বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে ফিরেছেন। তাঁদের মানসিক শক্তি জোগাতে নানা ধরনের কাউন্সেলিং সেবা দরকার।এ ছাড়া তাঁদের কারিগরি, ভকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। সারা দেশের ৩২ জেলার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে দেওয়া হবে এ সেবা। প্রকল্পটি মূলত ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, কয়েক দশক ধরে দারিদ্র্য বিমোচনে শহরের অনানুষ্ঠানিক খাত এবং প্রবাসী শ্রমিকদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা আছে। কিন্তু করোনার কারণে উভয় খাতই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। করোনা-পরবর্তী টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য প্রবাসী শ্রমিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শহুরে বেকারদের কর্মসংস্থানের বাধাগুলো দূর করতে হবে।

এই ঋণ বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে পাচ্ছে বাংলাদেশ। এটি সহজ শর্তের ঋণ। এই ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ৩০ বছর। ২০১৫ সালে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে সহজ শর্তের পাশাপাশি কঠিন শর্তের কিছু ঋণ নিচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code