বেঁচেও আক্ষেপে পুড়লেন মার্শ

লেখক:
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual2 Ad Code

ক্রীড়া ডেস্ক:

Manual5 Ad Code

আবদুল্লাহ শফিক যখন স্লিপে মিচেল মার্শের ক্যাচ মিস করলেন তখন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারের রান ২০। সে সময়ই যদি আউট হতেন তাহলেও হয়তো এত কষ্ট পেতেন না মার্শ। কেননা ৯৬ রানে যখন আউট হলেন তখন তাঁর পা যেন চলছিল না টানেলে।

Manual8 Ad Code

মাঠ ছেড়ে মার্শের শরীর ও মন কোনোটাই যেতে যাচ্ছিল না ড্রেসিংরুমে। এতটাই বিধ্বস্তভাবে হেঁটে যাচ্ছিলেন তিনি। হওয়ারই কথা শফিকের হাতে নতুন জীবন পেয়ে ৪ রানের জন্য তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পাওয়া হলো না। ১৩ চারে সাজানো দুর্দান্ত ইনিংসটি মির হামজার বলে শেষ হয় স্লিপে আগা সালমানের দুর্দান্ত এক ক্যাচে।

তবে সেঞ্চুরির আক্ষেপে পুড়লেও নতুন জীবন পেয়ে যা করে গেছেন মার্শ তাতেই বিপদে পড়েছে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামলে তাদের টপ অর্ডার ধসিয়ে দিচ্ছিল পাকিস্তানি পেসাররা। দলীয় ১৬ রানের মাথায় ৪ উইকেট তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি ও হামজা। দুজনে ভাগাভাগি করে নেন দুটি উইকেট।

এর কিছুক্ষণ পরেই সতীর্থদের সঙ্গে উইকেট উদ্‌যাপনে মাতার কথা ছিল আমের জামালের। কিন্তু স্লিপে তাঁর করা বলে সহজতম ক্যাচ ছাড়লেন শফিক। প্রথম ইনিংসেও ডেভিড ওয়ার্নারের সহজ ক্যাচ ছেড়েছিলেন তিনি। সুযোগ পেয়ে পঞ্চম উইকেটে স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে ১৫৩ রানের জুটি গড়েন ৩২ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। সেই জুটিতে ভর করেই দিন শেষে ২৪১ রানের লিড পেয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের রাজারা।

দলীয় ১৬৯ রানে মার্শ আউট হওয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি স্মিথও। ৫০ করেই আউট হয়েছেন শাহিন আফ্রিদির বলে। তাঁর আউটের পরেই দিনের খেলাও শেষ হয়ে যায়। তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৮৭ রান। ১৬ রানে অপরাজিত আছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি। ৩টি করে উইকেট নেন শাহিন আফ্রিদি ও হামজা।

Manual2 Ad Code

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার ৩১৮ রানের বিপরীতে প্রথম ইনিংসে ২৬৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। গতদিনের ৬ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে দিন শুরু করতে নেমে আজ ৭০ রান যোগ করতে পারে পাকিস্তান। তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার পরেই গত দিনের অপরাজিত ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ফেরান প্যাট কামিন্স।

Manual7 Ad Code

ব্যক্তিগত ৪২ রানে পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে আউট করার পর হাসান আলীকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারে দশমবারের মতো ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তিও গড়েছেন তিনি। তাঁর পাশাপাশি ৪ উইকেট নিয়েছেন নাথান লায়ন। ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন জামাল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code