ভবন নিয়ে ডিএসসিসি-রাজউকের দ্বিধাদ্বন্দ্ব

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual6 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন বা কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, বিশেষ শ্রেণির কেপিআইগুলোর সীমানা প্রাচীরের ২৫ মিটারের মধ্যে কোনও স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। এতে আরও বলা হয়, সীমানা প্রাচীরের ১৫০ মিটারের মধ্যে দোতলা বা ৮ দশমিক ৭৫ মিটারের বেশি উচ্চতার কোনও ইমারত নির্মাণ করা যাবে না।

Manual3 Ad Code

রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবন—যা বিশেষ কেপিআই শ্রেণির স্থাপনা। কিন্তু বঙ্গভবনের মাত্র ১৬ দশমিক ৬৭ মিটারের মধ্যে দিলকুশায় দাঁড়িয়ে আছে ‘সানমুন টাওয়ার’ নামে একটি ২৪ তলা ভবন। এই ভবনের বেশিরভাগ অংশেই দিন-দুপুরেও থাকে ভুতুড়ে অন্ধকার। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বহুতল এই ভবনটি বঙ্গভবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

Manual1 Ad Code

‘সানমুন টাওয়ার’ ভাঙা নিয়ে ডিএসসিসি-রাজউকের দ্বিধাদ্বন্দ্ব
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত বছরের (২০২২) জুলাই মাসে সানমুন টাওয়ারসহ বঙ্গভবনের চারপাশের কেপিআই নীতিমালা লঙ্ঘনকারী ভবন অপসারণে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু ২৪ তলা সানমুন টাওয়ারটি কারা ভাঙবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে ডিএসসিসি ও রাজউক।

Manual7 Ad Code

দক্ষিণ সিটির সম্পত্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৩৭ দিলকুশা এলাকার চার কাঠার খালি প্লটটি ছিল বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের। পাটকল কর্তৃপক্ষ শর্তসাপেক্ষে এ জায়গাটি সিটি করপোরেশনকে দিলে ২০০৩ সালে অবিভক্ত সিটি করপোরেশন পাঁচতলা একটি ভবন তৈরি করে। পরে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন ২০০৯ সালে একটি ২৩ তলা ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে এমআর ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে। চুক্তি মোতাবেক ভবনের ৩০ ভাগ পাবে সিটি করপোরেশন ও নির্মাতা কোম্পানি পাবে ৭০ ভাগ। কিন্তু দেখা যায়, নির্মাতা কোম্পানি এমআর ট্রেডিং চুক্তি ভঙ্গ করে অদৃশ্য শক্তির জোরে ওই জায়গায় ৩০ তলা ভবন নির্মাণ করে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code