

নিউজ ডেস্ক: ভুল বিয়ের কারণে মদ্যপানে ডুবে গিয়েছিলেন পূজা ভাট। সম্প্রতি একটি বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে এসে এ কথা জানান বলিউড নির্মাতা মহেশ ভাটকন্যা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
‘আনচেইন মাই হার্ট’ বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে পূজা বলেন, ‘আমি এমন একটা বিয়ে করেছি যা ভেঙে গেছে। এটা কোনও বেদনাদায়ক পরিস্থিতির কারণে ভাঙেনি, বরং বিষয়টা বিরক্তিকর ছিল। আমরা কেউই কাউকে প্রতারণা করিনি, আমাদের এই বিয়ে নিয়ে আগ্রহই ছিল না। একজন নারী হিসেবে, আমি বুঝতে পেরেছি যে সমাজ আমার জন্য যে বাক্সটি তৈরি করেছে তাতে টিক দেওয়ার সময় আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি। এটা বুঝতে আমার কিছুটা সময় লেগেছে। আমি এমন একটা বিয়েতে আটকে পড়েছিলাম যা আমার জন্য আদৌ ঠিক ছিল না। আমি আমার নারী সত্ত্বা হারিয়েছি। ভুলেই গিয়েছিলান আমি কে?। তিনি (আমার স্বামী) একজন দারুণ মানুষ ছিলেন, কিন্তু আমার মধ্যে একাকীত্ব তৈরি হয়।
ভাটকন্যা আরও বলেন, ‘আমি আমার ক্ষতে প্রলেপ লাগাতে অ্যালকোহলে ডুবে যাই। আটকে পড়িছিলাম, যেন আমাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রথমে একজন ভালো স্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করেছি, তারপর মদ্যপানে ডুব দিয়ে তৃপ্তি পাওয়ার চেষ্টা করি। আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করছিলাম খারাপ সম্পর্ক এবং বোতলের মধ্যে পার্থক্য কি? আমি ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে এসব করেছি। ধীরে ধীরে যন্ত্রণা ও শূন্যতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে শিখেছি। তারপর ধীরে ধীরে অ্যালকোহল মুক্ত হই। শান্তি ফিরে আসার পর সাত বছর হয়ে গেছে।’
নব্বই দশকে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন পূজা। একাধারে তিনি পরিচালক-প্রযোজকও। বাবা মহেশ ভাটের হাত ধরে বলিউডে পা রেখেছিলেন।