মুজিববর্ষের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতির পিতার প্রতি লন্ডন মিশনের শ্রদ্ধা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

মুজিববর্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে আজ বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৪৯তম বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় সঙ্গে উদযাপন করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম মেনে এবার ভিন্ন আঙ্গিকে ও সীমিত পরিসরে দিবসটি উদযাপন করা হয়। সকালে হাই কমিশন প্রাঙ্গণে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম হাই কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর শহীদ পরিবারবর্গ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধকল্পে ঘরোয়া পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় হাইকমিশনার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এবং ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি, মুজিববর্ষে সে স্বাধীনতার ৪৯তম বার্ষিকী বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। এই ঐতিহাসিক দিনে আমি জাতির পিতা ও তাঁর শহীদ পরিবারবর্গ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

Manual4 Ad Code

হাইকমিশনার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকার, জনগণ এবং যুক্তরাজ্য প্রবাসি বাংলাদেশিদের সম্পর্ক ছিল অবিচ্ছেদ্য ও সুগভীর। যুক্তরাজ্য প্রবাসি বাঙালিরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রিকগনাইজ বাংলাদেশ, স্টপ জেনোসাইড এবং রিলিজ বঙ্গবন্ধুসহ বিভিন্ন আন্দোলন গড়ে তুলে বাংলাদেশের বাইরে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য আরেক ধরনের মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিলেন। এজন্য আমি প্রবাসি বাংলাদেশিদেরও আন্তরিক ও গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

Manual2 Ad Code

তিনি বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক সম্পর্কের আলোকিত পথিকৃত হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ সরকার ও প্রখ্যাত ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের ঝুঁকির কারণে অনেক অনুষ্ঠান ইতোমধ্যেই স্থগিত করতে হয়েছে। মার্চ মাসেই বড় ধরনের কয়েকটি অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ছিলো ১৭ মার্চ London School of Economics-এ বঙ্গবন্ধুর ওপর হাইকমিশনারের বিশেষ বক্তৃতা, ২৪ মার্চ রয়েল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটিতে “Centenary of Bangabanhdu: Global Reflection” বিষয়ে আলোচনা, ২৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু জন্ম শতবর্ষ শিশু উৎসব ও ৩০ মার্চ বঙ্গবন্ধু লোক উৎসব।

Manual4 Ad Code

হাইকমিশনার আশা করেন করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ার পর কোনো ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি না থাকলে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে প্রধান প্রধান শহরগুলোতে উদযাপন করা হবে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code