পথচারী ও সাধারণ মানুষেরা জানান, ট্রাফিক আইন অমান্য করে যত্রতত্র যাত্রী তোলা, সড়কের পাশ দখল করে দোকানপাট, স্ট্যান্ড, চাঁদাবাজি, অটোরিকশা, লেগুনা ও ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে দূরপাল্লার গাড়ির গতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যা আসন্ন ঈদযাত্রায় মহাসড়কে যানবাহন বাড়লে যানজট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।
চালকেরা জানান, মহাসড়ক দখল করে রাখা শিল্প প্রতিষ্ঠান গাড়ি, মহাসড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি কন্টেইনার ডিপোর মালবাহী লরি ও ট্রাক, অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত দখল করে দোকান নির্মাণ ও ট্রাফিক সিগন্যালের কারণে মহাসড়কের এই অংশে অব্যাহত যানজটের কবলে পড়েন তারা। ঈদের আগে মহাসড়ক দখল করে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কন্টেইনার ডিপোর গাড়িগুলো মহাসড়ক থেকে সরিয়ে না নিলে ঈদে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা।
বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি নাজমুল হক জানান, মহাসড়কে ঈদের তিন দিন আগে থেকে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। সীতাকুণ্ড অংশকে যানজট মুক্ত রাখতে সব ধরনের প্রচেষ্টা নেওয়া হবে।

