মেয়র মামদানি তা খতিয়ে দেখেননি!

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ২৫ minutes ago

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসন তাদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় মুদি দোকান (গ্রোসারি স্টোর) খোলার পরিকল্পনাটি স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোর ওপর কী ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে, তা খতিয়ে দেখার কোনো প্রয়োজনই মনে করেনি। গত মঙ্গলবার তার বাজেট প্রধান নিজেই এই তথ্য স্বীকার করেছেন। সিটি কাউন্সিলের একটি গণশুনানি চলাকালে এ চাঞ্চল্যকর তথ্যটি সামনে আসে। এ সময় মেয়রের ‘অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট’-এর পরিচালক শেরিফ সোলিমানকে একের পর এক প্রশ্নে জর্জরিত করা হচ্ছিল যে, আশেপাশের মুদি দোকানদাররা এর ফলে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তা দেখতে প্রশাসন কোনো সমীক্ষা বা গবেষণা চালাচ্ছে কি না। কাউন্সিল-উইমেন কামিল্লাহ হ্যাঙ্কস (ডেমোক্র্যাট-স্ট্যাটেন আইল্যান্ড) যখন সুনির্দিষ্ট উত্তরের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, তখন মূল বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে সোলিমান বলেন, ‘আমরা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন আছি।’ সিটির পাঁচটি বরোর (অঞ্চল) প্রতিটিতে একটি করে সিটি-মালিকানাধীন বা সরকারি মুদি দোকান তৈরি করার মামদানির এই ব্যয়বহুল পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে একঝাঁক স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন। সাধারণ ছোটখাটো পারিবারিক দোকানদারদের (মম-অ্যান্ড-পপ শপকিপার্স) আশঙ্কা, এই নতুন সরকারি আউটলেটগুলোর ভর্তুকিযুক্ত কম মূল্যের পণ্যের সাথে তারা কোনোভাবেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে না। অসন্তুষ্ট ব্যবসায়ী মালিকদের একটি জোট ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগের বিরোধিতা করতে ১০ লাখ (১ মিলিয়ন) ডলারের একটি বিশেষ তহবিল (ওয়ার চেস্ট) গঠন করেছে। সিটি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই এই পাঁচটির মধ্যে দুটি দোকানের স্থান ঘোষণা করেছে, যার ফলে প্রতিশ্রুত বাকি তিনটি দোকান বাকি রয়েছে।
মেয়র দাবি করেছেন, তার নির্বাচনি প্রচারণার একটি মূল ইশতেহার বা প্ল্যাটফর্ম ছিল এই মুদি দোকান প্রকল্প, যা নিউ ইয়র্কবাসীদের কম দামে পণ্য কেনার সুযোগ দেবে এবং এতে সিটির বড়জোর ৭ কোটি (৭০ মিলিয়ন) ডলারের মতো খরচ হবে। কিন্তু ম্যানহাটনে যে দোকানটির কথা গত এপ্রিলে মামদানি ঘোষণা করেছেন, সেটি তৈরি করতেই ইতিমধ্যেই অন্তত ৩ কোটি (৩০ মিলিয়ন) ডলার খরচ হবে বলে নির্ধারিত হয়েছে। মেয়র গত মে মাসের এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, তার কার্যালয় মুদি দোকান এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সাথে ‘ধারাবাহিক যোগাযোগ ও জনসংযোগ’ বজায় রাখছে। তবে মুদি দোকানের মালিকেরা এই দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, তারা এখনো সিটির কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে কোনো বার্তা বা যোগাযোগ পাননি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code