

লন্ডন অফিস: ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বাত্মক আক্রমণের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। যুদ্ধ তৃতীয় বছরে পদার্পণের আগমুহূর্তে ইউক্রেনীয়রা আশা প্রকাশ করছেন যে রাশিয়ার নৃশংসতা ও প্রোপাগান্ডা কিয়েভের প্রতি পশ্চিমাদের সমর্থনে কোনও আঁচড় ফেলবে না। ইউক্রেনের রাজধানী থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে ইরপিনে বসবাস করেন এক সন্তানের জননী ইউলিয়া কানিভস্কা। ২০২২ সালে প্রায় এক মাস শহরটি রাশিয়ার দখলে ছিল। তাদের দখলে ইরপিন প্রায় ধ্বংস নগরীতে পরিণত হয়। পরে ইউক্রেনীয়
সেনারা রুশদের কাছ থেকে শহরটি পুনরুদ্ধার করে। ইউলিয়া বলেন, আমি খুব ভীত ছিলাম। আমরা কখনও ভাবিনি রাশিয়া আমাদের আক্রমণ করতে পারে। তার আশঙ্কা, রুশপন্থি প্রোপাগান্ডার কারণে ইউক্রেনীয় দুর্ভোগের প্রকৃত চিত্র আড়াল এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির প্রতি পশ্চিমাদের সমর্থন ক্ষুণ্ন করতে পারে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, আমার অনেক আত্মীয় রাশিয়ায় বসবাস করেন, আমার স্বামীর চাচি ও তার সন্তানরা রাশিয়ায় থাকেন। এখন তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলে না। কারণ তারা বিশ্বাস করতে পারছে না যে আমরা বোমাবর্ষণের শিকার হচ্ছি এবং স্বাধীনতার জন্য লড়ছি। আমরা স্বামী কয়েকটি বিধ্বস্ত বাড়ির ছবি পাঠিয়ে তাদের লিখেছিল, এটিই আমাদের জীবন। জবাবে তারা লিখেছে, এটি খুব বিপজ্জনক নয়, ঠিক আছে। এটি শুধু রাশিয়া নয়, বিদেশেও আমরা অনেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি–যাদের অনেকে রাশিয়াপন্থি ছিলেন, তারাও আমাদের বুঝতে পারেনি, তারা আমাদের বিশ্বাস করেনি।