যে ঋণ মানুষকে জান্নাতি করে দেয়

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

পরকালে জান্নাত বা শান্তি চায় না; এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু জান্নাত লাভে ইবাদত বন্দেগির বিকল্প নেই। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো- ‘মানুষকে ঋণ দেয়া এবং ঋণ পরিশোধে সময় দেয়া।’ এ ঋণ এবং তা পরিশোধে সময় দেয়াই মানুষকে জান্নাতি করে দেয়। কিন্তু কীভাবে? এ সম্পর্কে হাদিসের দিকনির্দেশনাই বা কী?

Manual4 Ad Code

অনেকে মানুষের বিপদে ঋণ দিতে গড়িমসি করেন। তাদের চিন্তা, ঋণ গ্রহিতা যদি তা যথা সময়ে পরিশোধ করতে না পারেন। ঋণদাতার জন্য এখানেই সর্বোত্তম সুযোগ। এ সুযোগই ঋণদাতাকে জান্নাতে পৌঁছে দেয়। হাদিসে এসেছে-

Manual1 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ে পুরো ঋণ ফিরিয়ে দিতে হিমশিম খাচ্ছে এমন ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে ঋণ পরিশোধ করার জন্য সময় দেয়, ওই ব্যক্তিকে এমন সওয়াব দেয়া হবে- যেন সে প্রতিদিনই সমপরিমাণ টাকা সদকা করছে। আর ঋণ পরিশোধের সময় চলে যাওয়ার পরও যে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে আরও সময় বাড়িয়ে দেয়; তাতে অতিক্রম হওয়া প্রতিদিনের জন্য তাকে এমন সাওয়াব দেয়া হবে, যেন সে প্রতিদিন ধার দেয়া টাকার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ টাকা সদকা করছে।’ (মুসনাদে আহমাদ)

জান্নাত লাভের জন্য ইবাদত-বন্দেগির কথা আসলেই অধিকাংশ লোক নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার করাকে বুঝে থাকেন। নিঃসন্দেহে এগুলো ইবাদত। কিন্তু এগুলো ছাড়াও অসংখ্য কাজ আছে, যেগুলো যথাযথভাবে করলে ইবাদতে পরিণত হয়। আর এর বিনিময়ে মানুষ এত অধিক পরিমাণ সাওয়াব লাভ করেন, যার ফলে তার জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত হয়ে যায়। মানুষকে ঋণদান এবং তা পরিশোধে সময় দেয়া দান-সাদকার চেয়েও উত্তম বলা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

দান-সাদকায় সাওয়াব লাভের একটি হিসাব এসেছে কুরআনুল কারিমে। মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন-

‘যারা আল্লাহর রাস্তায় নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ- একটি বীজের মতো; যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে এক শ’ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৬১)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code