যে কারণে টি-টোয়েন্টি থেকে সাময়িক অবসরে তামিম

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual6 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্কঃ দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ওপেনার নিশ্চিতভাবেই তামিম ইকবাল। হোক সেটা ওয়ানডে, টেস্ট কিংবা টি-টোয়েন্টি; তার রেকর্ড ও ধারাবাহিকতা সে কথাই বলে। এখনো তমিমের বিকল্প কেবল তিনিই। নতুন খবর হলো, আগামী ছয় মাসের জন্য আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন এই ওপেনার। এই সময়ে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে তাকে আর দেখা যাবে না।

অবশ্য গত কয়েকদিন ধরেই দেশের ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন, অভিমান থেকেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি আর না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন তামিম। সেটিকে যেন আরও উসকে দিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এরপর জাতীয় দলের টিম ডিরেক্টর ও বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনের কথায় ইঙ্গিত মিলে, তামিমের না খেলার মূল কারণ অভিমান। তখন থেকেই দেশসেরা ওপেনারের মান ভাঙাতে তার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন বিসিবি কর্তারা।

Manual2 Ad Code

অবশেষে সবকিছু নিয়ে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খোলাসা করেছেন গত কয়েকদিন ধরে তাকে নিয়ে চলা টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের গুঞ্জন নিয়ে।

তামিম বলেন, আগামী ৬ মাস আমি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি নিয়ে ভাবছি না। সবার সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছি। এই সময়ে আমার সম্পূর্ণ মনোযোগ থাকবে ওয়ানডে ও টেস্ট ম্যাচ নিয়ে।

Manual7 Ad Code

এরপরও এই ফরম্যাটে ফিরবেন কি না তাও নিশ্চিত করেননি ওয়ানডে অধিনায়ক। তিনি বলেন, ছয় মাস পর যদি দলে আমার প্রয়োজন অনুভব হয় তাহলেই ফেরার ব্যাপারে চিন্তা করবো। যদি দেখি যারা আছে তারা ভালো খেলছে, তাহলে হয়তো এই ফরম্যাটে আর ফিরবো না।

Manual5 Ad Code

তামিমের ভাষ্য, এই ৬ মাস তার পূর্ণ মনোযোগ থাকবে টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে। কারণ, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আছে, ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ আছে। সেটার প্রস্তুতি আছে। তাই ওয়ানডে অধিনায়কের পুরোপুরি মনোযোগ এই দুই ফরম্যাটে থাকবে।

Manual1 Ad Code

জাতীয় দল নিয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তামিম ইকবাল আরও বলেন, ‘আমি আশা করবো এই ৬ মাসে যে তরুণরা খেলবে বা বাংলাদেশের যে দল খেলবে তারা এতই ভালো করুক যেন আমার আর প্রয়োজন না পড়ে। তবু, ৬ মাস পর যদি এমন সময় আসে যে নির্বাচক বা টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করে আমার দরকার আছে বিশ্বকাপের আগে, তাহলে অবশ্যই ফেরার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবো। সেই সঙ্গে যদি আমিও প্রস্তুত থাকি, তখন এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।’

অভিমান থেকেই এমন সিদ্ধান্ত কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য সেরা সিদ্ধান্তটা আমি নিয়েছি। মিডিয়াতে তো অনেক ধরনের কথা হয়, মান-অভিমান। আমি সবসময় একটা কথা বলি, আমি বাংলাদেশকে যেকোনো ফরম্যাটে প্রতিনিধিত্ব করতে পারি। এর চেয়ে বড় কিছু আমার বা কোনো ক্রিকেটারের নেই। এখানে মান-অভিমান নেই, আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা শুধুই ক্রিকেটের জন্য।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code