যে ৫ অভ্যাস কিডনির ক্ষতি করছে

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: কিডনির রোগ ইদানীং বেড়ে গেছে। কিডনিতে পাথর, পানি জমে যাওয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। দৈনন্দিন জীবনের অনিয়ম কিডনির অসুখ ডেকে আনে। ক্রমাগত বাইরের খাবার খাওয়া, পানি কম পান করা, তেল-মশলাজাতীয় খাবার খাওয়ার অভ‍্যাসে কিডনি খারাপ হতে থাকে। দীর্ঘ দিন সুস্থ থাকতে কিডনি ভালো না রাখলে চলবে না। কিডনির ভালোমন্দের ওপর নির্ভর করে সার্বিক সুস্থতা। কিডনি ভালো রাখতে নিজেকে যেমন কিছু নিয়মে বাঁধতে হবে। কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই আলাদা করে নিজের যত্ন নেয়ার সুযোগ পান না। আর তাতেই বাড়ে বিপত্তি। জেনে নিন, কোন কোন অভ্যাস থেকে দূরে থাকলেই ভালো থাকবে আপনার কিডনি।

Manual7 Ad Code

১) পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। সাধারণত যে কোনো সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানির প্রয়োজন হয়। তাই শরীরের প্রয়োজন কতটুকু, সেই পরামর্শ নিয়ে রাখুন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে। সেই অনুপাতে পানি খান। শরীরে কোনো ক্রনিক অসুখ থাকলে পানি খাওয়ার বিষয় নিয়ন্ত্রণ আনা জরুরি। সে ক্ষেত্রে পানি বেশি পান করলে কিন্তু কিডনির সমস্যা বাড়তে পারে।

Manual4 Ad Code

২) কিডনিতে সংক্রমণের অন্যতম কারণ হলো প্রস্রাব চেপে রাখা। সাধারণত রাস্তাঘাটে বা অনেক সময়ে বাড়িতে থাকলেও কাজের চাপের জন্য অনেকে প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখেন। এই অভ্যাসের কারণে মূত্রনালিতে চাপ পড়ে, তাতেই ক্ষতি হয় কিডনির। বেশিক্ষণ প্রস্রাব ধরে রাখার ফলে কিডনির শারীরবৃত্তীয় কাজ সারতে সমস্যা হয় ও দীর্ঘ সময় ধরে টক্সিন ধরে রাখায় শরীরে সংক্রমণ ঘটে।

৩) উচ্চমাত্রায় ডায়াবেটিস সরাসরি কিডনির ক্ষতি করে। তাই সব সময়ে চেষ্টা করুন ডায়াবিটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেয়া যাবে না। কিডনি ভালো রাখতে ডায়াবিটিস প্রতিরোধ প্রয়োজন। এর জন্য রোজ নিয়ম করে হাঁটাহাঁটি, শরীরচর্চা আর খাবারে নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি।

Manual7 Ad Code

৪) মুঠো মুঠো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকে অনেকেরই। অতিরিক্ত মাত্রায় এই ধরনের ওষুধ কিন্তু কিডনির নানা সমস্যা তৈরি করে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনোরকম অ্যান্টিবায়োটিক বা বেদনানাশক ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

Manual8 Ad Code

৫) ওজন বেশি হয়ে গেলেও কিন্তু কিডনির উপর চাপ পড়ে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা কিন্তু ভীষণ জরুরি। রোজ ডায়েট ও শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার অভ্যাস শুরু করতে হবে।

সুত্র:এফএনএস ডটকম

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code