

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিএস২১১ বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে ডা. মো. রেজওয়ানুল হককে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ মার্চ) রাতে নেপাল থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া হয়।
এ ছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াকুব আলী ও ইমরানা কবির হাসিকে ভারতে নেয়া হবে। কাঠমান্ডুতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে কবির হোসেন, শেখ রাশেদ রুবাইয়াত ও মো. শাহীন বেপারিকে।
দেশে ফিরিয়ে আনা হবে শাহরিন আহমেদ, আলমুন নাহার অ্যানি, কামরুন্নেসা স্বর্ণা ও মেহেদী হাসানকে।
বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাস সাংবাদিকদের এ তথ্য জানায়।

ইউএস-বাংলার জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিমান বিএস২১১ বিধ্বস্তের ঘটনায় ডা. শাওন গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে নেপালের ওম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থা জটিল হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বুধবার রাতেই এয়ার এম্বুলেন্সের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তাকে।
উল্লেখ্য, সোমবার (১২ মার্চ) স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১৮ মিনিটে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট, ক্রু ও যাত্রীসহ ৫২ জন নিহত হন। ইউএস বাংলার ওই বিমানটিতে মোট ৭১জন আরোহী ছিলেন। আরোহীর মধ্যে ৩৬ বাংলাদেশিসহ ৫২ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ১০ বাংলাদেশিসহ ১৯ জন আহত হন। পরে হতাহতের উদ্ধার করে স্থানীয় কেএমসি হাসপাতাল, নরভিক হাসপাতাল ও ওম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে কাঠমান্ডুতে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতদের স্মরণে আজ সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এছাড়া শুক্রবার সারা দেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা হবে।
