রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চার প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়। মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে। এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা। আর মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। সংক্রমণসহ যে কোনো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার পাশাপাশি মানুষকে সুস্থ রাখে এই অ্যান্টিবায়োটিক এমনটা দাবি করছে বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে সর্দি, ঠান্ডা লাগা, জ্বর, নিউমোনিয়া, হাড়ে সংক্রমণসহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

Manual7 Ad Code

রসুন: রোগ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রসুনে থাকা অ্যান্টিবায়োটিক। খাদ্যাভ্যাসে জলপাই তেলে ভেজানো রসুন অন্তর্ভুক্ত করা গেলে অনেক ভালো। এক দিনে দুটি রসুন-দানা খাওয়া যেতেই পারে।
মধু: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ঘরোয়া অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে মধু। চিনির বিকল্প হিসেবে মধু ব্যবহার করা যেতেই পারে। চায়ের সঙ্গে মধু সেবন করা উপকারি।

হলুদ: কার্কুমিনে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে হলুদে। এটি ফ্রি র‌্যাডিকালগুলির দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। হলুদ ব্রেনস্টেম উন্নত করতে এবং গাঁটে ব্যথা কমাতেও সহায়ক। এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

Manual1 Ad Code

আদা: প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে আদা। তাই একে প্রাকৃতিক অ্যান্টি বায়োটিক বলা হয়ে থাকে। বমি বমি ভাব, বুক জ্বালা, অম্বলের মতো সমস্যাগুলি আদা সেবনে উপশম হতে পারে। আদা চায়ের সঙ্গে খাওয়া বিশেষ উপকারি। সূত্র: এবিপি আনন্দ।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code