লকডাউন : ১৪ দিনে ঢাকায় গ্রেফতার ৯ হাজার

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধি-নিষেধ বা লকডাউনে বিনা প্রয়োজনে মানুষের বাইরে বের হওয়া ঠেকাতে তৎপর ছিলো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ দুই সপ্তাহে বিধি-নিষেধ অমান্য করে বাইরে বের হওয়ায় রাজধানীজুড়ে ৯ হাজার দুইজন গ্রেফতার হয়েছেন।

Manual5 Ad Code

এ সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ৯৯৯ জনকে জরিমানা করা হয় ৩৯ লাখ ১২ হাজার ৩৩০ টাকা। আর বিধি-নিষেধ অমান্য করায় ট্রাফিক বিভাগ বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে মোট ৮ হাজার ১৩৯টি মামলা দায়ের করে। ট্রাফিক বিভাগের মামলায় জরিমানার পরিমাণ ১ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭০টাকা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্র জানায়, করোনা সংক্রমণ রোধে গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে কঠোর বিধি-নিষেধ ঘোষণা দেয় সরকার। আরেক দফা সময় বাড়ানোর পর এ কঠোর বিধি-নিষেধের শেষদিন ১৪ জুলাই। এ সময়ে ডিএমপির সব থানা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ একযোগে এ অভিযান অব্যাহত রাখে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, এ সময় সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ অমান্য করে বিভিন্ন অযুহাতে বাইরে বের হওয়ায় রাজধানীতে মোট ৯ হাজার ২ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ৯৯৯ জনকে ৩৯ লাখ ১২ হাজার ৩৩০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, কঠোর বিধি-নিষেধের ১৪তম দিনে ডিএমপির ৮টি বিভাগে বিভিন্ন থানা পুলিশ একযোগে সরকারি বিধি-নিষেধ মানাতে অভিযান অব্যাহত রাখে। এদিন বিধি-নিষেধ অমান্য করার দায়ে ৪৬২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০৫ জনকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ট্রাফিক বিভাগ ৭৪৪ টি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজবাংলাদেশ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code