লন্ডনে দুই বিক্ষোভ মিছিলে হাজার হাজার মানুষ

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

Manual3 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:মধ্য লন্ডনে দুটি পৃথক বিক্ষোভ মিছিলে শনিবার (১৬ মে) হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে। এই দুটি বিক্ষোভ মিছিলের একটি ছিল উচ্চ অভিবাসন হারের বিরুদ্ধে এবং অন্যটি ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে।পুলিশ রাজধানীর বাইরে থেকে আনা অতিরিক্ত বাহিনীসহ চার হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেছে এবং এটিকে তাদের বছরের পর বছরের সবচেয়ে বড় জনশৃঙ্খলা অভিযান বলে অভিহিত করে ‘আমাদের ক্ষমতার সবচেয়ে জোরালো ব্যবহার’ বলে জানিয়েছে।
দুটি মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা এর আগে অন্তত ৮০ হাজার লোকের সমাগমের পূর্বাভাস দিয়েছিল।

‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ শিরোনামের একটি মিছিলের আয়োজন করেছিলেন ইসলামবিরোধী কর্মী স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেনন, যিনি টমি রবিনসন নামে পরিচিত। এই মিছিল থেকে পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ‘বিদেশী উগ্র-ডানপন্থী উস্কানিদাতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে পুলিশ।এর আগে সেপ্টেম্বরে রবিনসনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিবাদ সমাবেশে প্রায় দেড় লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিল এবং এতে মার্কিন প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক একটি ভিডিও ভাষণ দিয়েছিলেন।

Manual6 Ad Code

‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ বিক্ষোভ মিছিলটির কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা নাকবা দিবস উপলক্ষে একটি মিছিল করে। ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের ভূমি হারানোর ঘটনাকে স্মরণ করে এই দিনটি পালন করা হয়। আরবিতে ‘নাকবা’ শব্দের অর্থ হলো মহাবিপর্যয়।এই মিছিলে প্রধানত ফিলিস্তিনি পতাকার পাশাপাশি ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ সমাবেশের বিরোধীরাও অংশ নেয়।

Manual8 Ad Code

ব্রিটিশ সরকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, পুলিশ সেইসব বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করবে যারা ‘ইন্তিফাদাকে বিশ্বায়ন করো’ স্লোগান দেবে। এই স্লোগানটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিদ্রোহকে নির্দেশ করে, যাকে অনেক ব্রিটিশ ইহুদি ইহুদি-বিদ্বেষ উস্কে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখে।শনিবার কিছু বিক্ষোভকারী ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে ‘আইডিএফ-এর মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে ইহুদিদের লক্ষ্য করে এই ধরনের ভাষা ব্যবহারের জন্য তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code