শাসক নয়, সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই : আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual6 Ad Code

শরীফ গাজী সিলেট : সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, লাঠি হাতে শাসক নয়, সিলেট নগরবাসীর সেবক হিসাবে কাজ করতে চাই। তাদের সুখে সুখী আর দুখে দুখী হয়ে জীবন কাটাতে এসেছি। ভোটের সময় অনুনয় বিনয় আর নির্বাচিত হওয়ার পর লাঠি হাতে শাসকের ভূমিকায় অবতীর্ন হওয়ার শিক্ষা আমি পাইনি।

Manual5 Ad Code

তিনি বলেন, মানুষের ভালোবাসা পেতে তাদের জন্য কল্যাণকর কাজ করতে চাই। নগরভবনে সবাই যাতে সন্তোষজনক নাগরিক সেবা পান তা নিশ্চিত করতে নৌকায় ভোট দিন।

Manual6 Ad Code

আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী শনিবার (৬ মে) সন্ধ্যায় নগরীর চালিবন্দর এলাকায় ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি এই ওয়ার্ডের সন্তান, সিলেট সিট করপোরেশনের সাবেক মেয়র, প্রয়াত বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন আমাদের একজন মহান নেতা। মানুষ তাকে ভালোবেসে জনতার কামরান বলে অভিহিত করতেন। সারাটি জীবন তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করেছেন। তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ একজন জননেতা সত্যিই বিরল। আমি নির্বাচিত হলে কামরান ভাইয়ের গৃহীত উন্নয়ন পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

Manual4 Ad Code

ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল শামীমের সভাপতিত্বে ও কামরান পুত্র ডা. আরমান আহমদ শিপলুর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বিজিত চৌধুরী, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসমা কামরান, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য রাহাত তরফাদার, আক্দুল আজিম জুনেল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. নাজরা চৌধুরী, সাজেদা পারভীন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা কালাম আহমদ, হাবিবুর রহমান মজলাই, সাইফুল আলম খান কয়েস, আবুলআহমদ, এমএ মতিন, এনাম আহমদ, কালাম আহমদ, বেলাল আহমদসহ নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code