শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না তাতে নিজেদেরই ক্ষতি, বিজিবিকে প্রধানমন্ত্রী

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের বলেছেন, মনে রাখবেন, শৃঙ্খলা এবং চেইন অব কমান্ড শৃঙ্খলা বাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি। কখনও শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না, তাতে নিজেদেরই ক্ষতি। চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন। কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে চলা শৃঙ্খলা বাহিনীর অবশ্য কর্তব্য।

রোববার বিজিবি দিবস উদযাপন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিবি সদস্যদের দেশপ্রেম, সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। খবর বাসসের

Manual4 Ad Code

বিজিবি সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা, আপনারা দেশপ্রেম, সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন। আমার বিশ্বাস, জাতির পিতার প্রত্যাশিত আধুনিক সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে এগিয়ে যাবে বিজিবি। বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে সীমান্তের অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

Manual2 Ad Code

এসময় প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদস্যদের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন এবং একটি সুসজ্জিত দল তাকে অভিবাদন জানায়।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিজিবি সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি পদক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিবি সদরদপ্তরে বিজিবি সম্মেলন কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা ঐতিহ্যবাহী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের গর্বিত সদস্য। এ বাহিনীর রয়েছে ২২৬ বছরের গৌরবময় ইতিহাস। ১৭৯৫ সালে রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন নামে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কালের পরিক্রমায় এ বাহিনী আজ একটি সুসংগঠিত সীমান্ত রক্ষী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম প্রহরেই এই বাহিনীর সদস্যরা পাকসেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৯৭১ এর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পিলখানা থেকে তৎকালীন ইপিআরের বেতার কর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ওয়ারলেসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়। তৎকালীন ইপিআর প্রচার করায় পাকবাহিনীর হাতে প্রাণ দেন ইপিআরের সুবেদার মেজর শওকত আলী।

Manual8 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে একটি যুগোপযোগী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। এই বাহিনীকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সমগ্র বাংলাদেশের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা পুনর্বিন্যাস করে পাঁচজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পাঁচটি রিজিয়নে বিভক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে আধুনিক সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে রূপান্তরের নিমিত্তে ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১’ এর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০৪১ সাল নাগাদ সদস্য সংখ্যা ৯২ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।

Manual3 Ad Code

অনুষ্ঠানে আগামী প্রজন্মের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, আত্মমর্যাদাশীল, উন্নত এবং সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code