সান্তাহারে এসএসসি ৯৭ ব্যাচের মিলন মেলা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

আদমদীঘি (বগুড়া) :
বন্ধুত্ব বন্ধনে শ্লোগান কে সামনে রেখে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের এসএসসি ব্যাচ ১৯৯৭ এর মিলন মেলা অনুষ্ঠান ফারিস্তা কমিউনিটি সেন্টার ও পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সারা দিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্য দিয়ে এই মিলন মেলা অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। সান্তাহার রেলগেটে অবস্থিত স্বাধীনতা মঞ্চ ও শহীদ মিনার চত্বর থেকে সকাল ৯ টায় ৯৭ ব্যাচের যে সকল শিক্ষার্থী মৃত্যু বরন করেছে ও দেশের জন্য যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছেন সেইসব মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করাসহ ফুলের তোড়া দিয়ে শুরু হয় মিলন মেলা অনুষ্ঠান। সাড়ে ৯ টায় বেলুন ও পায়রা উঠিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করা হয়। এরপর স্বাধীনতা চত্বর থেকে একটি বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন করে এসে ফারিস্তা কমিউনিটি সেন্টার ও পার্কে গিয়ে শেষ হয়। বেলা ১১ টায় ৯৭ ব্যাচের বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে কেক কাটা ও স্কুল জীবনে স্বৃতিচারন করা হয়। স্বৃতিচারনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্বে করেন মিলন মেলার উদযাপন কমিটির আহবায়ক সাগর খান। স্বৃতিচারনের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল নাহিন রবিন, যুগ্ন আহবায়ক আতাউর রহমান মাসুদ, যুগ্ন আহবায়ক আলী আকবর আপেল, যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম রেজভি, যুগ্ন আহবায়ক খায়রুল ইসলাম, যুগ্ন আহবায়ক রাশেদ মিঠু, যুগ্ন আহবায়ক খাদেমুল মাসুদ, যুগ্ন আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক দুখু, সদস্য আব্দুস সবুর সবুজ, আব্দুল হাই সিদ্দিক, হাশেম আলী খন্দকার রন্জু, সিরাজুল ইসলাম বাবু, সেলিম, ইমরান শাহ , নাজনীন নাহার প্রমুখ।
স্বৃতিচারন করতে গিয়ে মিলন মেলার যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল নাহিন রবিন বলেন, অনেক দিন পর আমরা স্কুলের বন্ধু-বান্ধবীরা মিলিত হয়েছি এক সাথে। জীবন বাস্তবতার সময়ের প্রয়োজনে আমরা প্রত্যেকে বিভিন্ন দিকে ব্যস্ত থাকি। সবার সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ খুব একটা আসে না। তাই সবার সান্নিধ্য পেয়ে ভালো লাগছে। আশা করি আগামীতে ও আমরা এই পুনর্মিলনীর ধারা অব্যহত রাখেবো।
এই বিষয়ে ৯৭ ব্যাচের আরেক কৃতি শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বী মিঠু বলেন, দীর্ঘদিন পর সবাই একত্রিত হয়েছি। স্কুল জীবন কে ঘিরে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে কত স্বৃতি জড়িয়ে আছে। সবাই কে এক ফ্রেমে পেয়ে এগুলি স্বৃতিচারন করছি। বেশ ভালো লাগছে।
মিলন মেলার উদযাপন কমিটির আহবায়ক সাগর খান বলেন, আমরা আজ সব বন্ধুরা মিলে এত বড় একটা মিলন মেলার অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে আনন্দিত। সব বন্ধরা যদি আন্তরিক থাকে তাহলে প্রতি বছর এ রকম অনুষ্ঠান করতে পারবো বলে মনে করি। স্কুল থেকে পাস করে বের হয়ে যাওয়ার পর সবার সাথে মিলিত হবার সময় ও সুযোগ খুব একটা হয়ে উঠেনা।
আলোচনা শেষে অনুষ্ঠানের ১৯৯৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ‘স্বরণিকা’ মোড়ক উন্মোচন করা হয়। দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি দিয়ে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল খেলাধুলা, কবিতা, নাচ-গান, র‌্যাফেল ড্র, পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে মিলন মেলা অনুষ্ঠানের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ব্যান্ড-শো মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code