সামনে ঈদ, অথচ আনন্দ নেই মানুষের মাঝে

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

সম্পাদকীয়:

Manual8 Ad Code

বাংলা বৈশাখ মাসের প্রায় মাঝামাঝি, সেই সঙ্গে পবিত্র রমজান মাসেরও। আমরা পেছনে ফেলে এসেছি বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ, পাহাড়ি ভাইবোনদের ‘বৈসাবী’ উৎসব। এরও আগে চৈত্রসংক্রান্তি এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত নানা উৎসব-মেলা। এখন সারা দেশে কৃষক ভাইয়েরা আমাদের প্রধান ধানী ফসল ‘বোরো’ তুলতে ব্যস্ত। বলা হচ্ছে, বাম্পার ফলন হয়েছে এবার। সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে ১০-১৫ লাখ টন খাদ্য সংগ্রহের জন্য। আবার পবিত্র ঈদ, দেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব সামনে। ঘটনাক্রমে সরকারের রাজস্ব বছর শুরু হতে দেরি নেই। মাস দেড়েক বাদেই সরকার নতুন অর্থবছরের (২০২১-২২) বাজেট সংসদে পেশ করবে। এবার হবে ‘গরিবের বাজেট, জীবন-জীবিকার বাজেট’- তা-ই বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এতসব উল্লেখযোগ্য দিবস, উৎসব, মেলা, নতুন ধান ওঠার মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড থাকার কথা ছিল তুঙ্গে। ‘ক্যাশ’ বা ‘নগদের’ ছড়াছড়ি থাকার কথা ছিল অর্থনীতিতে। সারা দেশের ছোট, মাঝারি শিল্প-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানদার, দোকান কর্মচারী, হাজার ধরনের পেশাজীবীর জীবন থাকার কথা ছিল কর্মচঞ্চল। সেই সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের জীবনেও থাকার কথা ছিল আনন্দ। অর্থনীতির অবস্থা থাকার কথা রমরমা। প্রশ্ন, তা কি আছে? এক কথায় এর উত্তর দেওয়া যায়। চোখ বুজে বলা যায়- চীনের উহান থেকে আগত করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের জীবন-জীবিকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কা সামলিয়ে আমরা যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিলাম তখন হঠাৎই বেড়ে যায় এ ভয়াবহ রোগের আক্রমণ, যা আগের চেয়ে মারাত্মক। এখন নতুন করে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। হাসপাতালে জায়গা নেই, অক্সিজেন নেই। চারদিকে অভাব-অনটন, উদ্বেগ-দুশ্চিন্তা। যখন লিখছি, তখন চলছে কড়া ‘লকডাউন’। শুরু হয়েছে নববর্ষের প্রথম দিনে। চলার কথা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত। দোকানপাট, বাস-ট্রাক সব বন্ধ। এরই মধ্যে ঘোষণা এসেছে, ২৫ তারিখ থেকে দোকানপাট খুলবে। কী অবস্থা হবে ব্যবসা-বাণিজ্যের, কী অবস্থা হবে শ্রমজীবী মানুষসহ অগণিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের?

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code