

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:
সিরিয়ায় গণকবর থেকে পাওয়া প্রমাণ দেশটির সাবেক নেতা বাশার আল-আসাদের শাসনামলের একটি রাষ্ট্রীয় পরিচালিত ‘মৃত্যুর যন্ত্র’কে উন্মোচন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ প্রসিকিউটর স্টিফেন র্যাপ। তিনি বলেছেন, ২০১৩ সাল থেকে এ যন্ত্রের মাধ্যমে ১ লাখের বেশি মানুষকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দামেস্কের কাছে কুতাইফাহ ও নাজহা শহরে দুটি গণকবর পরিদর্শনের পর র্যাপ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, আমরা নিশ্চিতভাবেই দেখতে পাচ্ছি, এই যন্ত্রে ১ লাখের বেশি মানুষকে গুম করে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই গণহত্যা নাৎসিদের পর এমন ভয়াবহ রূপ আমরা আর দেখিনি। রুয়ান্ডা ও সিয়েরা লিওনের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করা র্যাপ সিরিয়ার নাগরিক সমাজের সঙ্গে কাজ করে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ সংরক্ষণ এবং সম্ভাব্য বিচার কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
র্যাপের মতে, গোপন পুলিশ, যারা মানুষদের তাদের বাড়ি ও রাস্তাঘাট থেকে তুলে নিয়ে যেত, কারারক্ষী ও জিজ্ঞাসাবাদকারীরা যারা তাদের অনাহারে ও নির্যাতনে মেরে ফেলত, ট্রাক চালক ও বুলডোজার চালক যারা মৃতদেহগুলো লুকিয়ে ফেলত—এই হত্যাযন্ত্রে হাজারো লোক কাজ করত। আমরা এখানে একটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কথা বলছি, যা পরিণত হয়েছে মৃত্যুর যন্ত্রে।