

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া :
সিলেট নগরীর কাজির বাজারে রুমনের নামের এক চায়ের দোকানের কর্মচারীকে নৃশংসভাবে খুন করেছে স্থানীয় আব্বাস বাহিনী। আব্বাস (৫৫) তার দুই ছেলে ও দুই সহপাঠিকে ডেকে এনে ঘটনার স্থলে খুন করেন একের পর এক আঘাত করে রুমনকে। ঘটনার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশের চৌকস টিম কাজ করে খুনের ঘটনায় জড়িতদের পাকড়াও করতে। এরই মধ্যে ঘটনার মূল হোতা আব্বাস (৫৫)কে আটক করতে সক্ষম হয়েছে সিলেট মেট্রোপল্টন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
এদিকে নিহত রুমনের মনের লাশ সংবাদ লিখা পর্যন্ত ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসমানী মেডিকেল পুলিশ বক্সার ইনচার্জ এস আই দেবাশীষ দাস। অমানবিক এ ঘটনা ঘটেছে ১৩ জুলাই সকাল ৯ টায় সিলেট নগরীর কাজির বাজার এলাকার মাছ বাজার সংলগ্ন নিরুব বাবুর হোটেলে।
হোটেল মালিক নিরুক বাবু, কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ওসমানী মেডিকেল পুলিশ বক্স সূত্রে জানা যায়, ১৩ জুলাই ভোর ছয়টা ত্রিশ মিনিটে স্থানীয় আব্বাস মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিরুক বাবুর হোটেলে চা খেতে যায়। ততক্ষণে চা রান্না হয়নি । কাস্টমার আব্বাস মিয়াকে এ সময় কাস্টমার আব্বাস মিয়ার কে দোকান কর্মচারী রুমন চা দিতে দেরি হবে বললে শুরু হয় তর্ক বিতর্ক। স্থানীয়রা মীমাংসা করে দিলে আব্বাস চলে যান সেখান থেকে। ঠিক সকাল ৯ টায় তার সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে দোকান কর্মচারীর রুমনকে প্রকাশ্য দিবালোকে মারপিঠ শুরু করে একাধিক ব্যক্তি। একের পর এক স্টেপিংয়ে ঘটনাস্থলে পরে থাকে রুমন।
পরে নিরুক বাবু ও শাহিন মিয়া নামে এক ব্যক্তি রুমনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
চায়ের দোকানের মালিক নিরুক বাবু জানান, রুমন অত্যন্ত ভালো ছেলে । সে দুই বছর থেকে উনার দোকানে চাকরি করে আসছে। তিনি এই সন্ত্রাসের বিচার চান। এ ঘটনার পর থেকে দোকান পরিচালনা নিয়েও আতঙ্কে ভুগছেন তিনি বলে জানান।
রুমন (২৬) মোগলা বাজার এলাকার জালালপুর বাজার এর মৃত তকলিছ মিয়ার ছেলে। এ ঘটনা নিহতের রুমনের বড় ভাই আহমদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কোতোয়ালী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক জানান, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। মাঠে কাজ করছে চৌকস টিম।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মিডিয়া সাইফুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান , দোকান কর্মচারী রুমন খুনের মূল হোতা আব্বাস (৫৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সেই ঘটনার মূলহোতা দোকান কর্মচারী রুমন চা দিতে দেরি করায় সে তার দুই ছেলে ওসব পার্টিকে ডেকে এনে রুমানকে খুন করিয়েছে।
আটক আব্বাস তোপখানা আফজাল মিয়ার কলোনির মৃত মনু মিয়ার পুত্র। এদিকে পরিবারের ছোট ছেলেকে হারিয়ে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার জালালপুর বাজার এলাকায় রুমনের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে রুমন ছিল পরিবারের ছোট ছেলে। ডেস্ক বিজে