সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : নানা আনুষ্ঠানিকতায় ১৪ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে আড়ম্বরপূর্ণভাবে ১লা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪২৯ উদযাপন করা হয়।

Manual2 Ad Code

নববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও আল্পনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে সুসজ্জিত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আবু হায়দার মো. আসাদুজ্জামান, পিএইচডি; উপাধ্যক্ষ, শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Manual3 Ad Code

অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন প্রজন্মকে নিজস্ব সংস্কৃতিতে উজ্জীবিত করার মানসে জাতীয়ভাবে উদযাপিত মঙ্গল শোভাযাত্রা ও গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলাধুলার উপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

Manual1 Ad Code

এরপর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একক ও দলীয় সংগীত, নৃত্য, অভিনয় এবং আবৃত্তিতে নিজস্ব সংস্কৃতির ধারা ফুটিয়ে তোলা হয় যা উপস্থিত সকলকে মোহিত করে।

প্রধান অতিথির সমাপনী ভাষণে অধ্যক্ষ বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য্য তুলে ধরে বলেন, আমরা বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নববর্ষ বরণ করে গেয়ে উঠি-“এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।” এই অনুষ্ঠান ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সকলের সার্বজনীন উৎসব। বাংলা নববর্ষ উৎসবের সঙ্গে আমাদের গৌরবময় অতীত ঐতিহ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ উৎসব আমাদের জীবনে স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ সৃষ্টি করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ রাখে এবং তা জাতীয় ঐক্যেরও প্রতীক। অতীতের ব্যর্থতা-গ্লানি ভুলে গিয়ে নতুনের আহবানে জেগে উঠি, স্বপ্ন দেখি নতুন দিনের। তিনি শিক্ষার্থীদের নববর্ষের চেতনায় উজ্জীবিত ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি গঠনে অবদান রাখার আহবান জানান। এছাড়া দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা সম্পূর্ণ, মানবিক গুণে সৃষ্টিশীল, আত্মপ্রত্যয়ী ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

পরিশেষে অনুষ্ঠান আয়োজনে নিয়োজিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code