সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প‘ নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে লন্ডনে সভা

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

Manual5 Ad Code

মির্জা আবুল কাসেম,ডেস্ক রিপোর্ট : ‘সিলেট–চারখাই–শেওলা মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ কাজে সিলেট জেলা প্রশাসকের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রবাসী বিয়ানীবাজার উপজেলাবাসীর সংগঠন ‘বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি ইউকে’। সিলেট জেলা প্রশাসকের সিলেট বিদ্বেষী ভূমিকার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নপুষ্ঠ এই প্রকল্প অবিলম্বে শুরু করা না হলে দেশে- বিদেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়।গত ৩১ জুলাই, বৃহম্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে ‘সিলেট–চারখাই–শেওলা মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ কাজে বাধার তীব্র প্রতিবাদ’ শিরোনামে এ সভার আয়োজন করা হয়। সমিতির সভাপতি আনোয়ার আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সুবিনের সঞ্চালনায় সভায় সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে বক্তারা বলেন, শেওলা স্থলবন্দরকে প্রাধান্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের এ মহাসড়কের কাজে খরচ হবে চার হাজার ২৫৭ কোটি সাত লাখ টাকা। এর মধ্যে দুই হাজার ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটি ১ জানুয়ারি ২০২৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা।বক্তারা বলেন, প্রায় দুই বছর চলে যাচ্ছে কিন্তু চারলেন সেতু ও অ্যাপ্রোচ সড়কের ভূমি অধিগ্র্রহণ কাজ শুরু হয়নি। সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক সমকালে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, সিলেটের জেলা প্রশাসক চার লেন মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত চার লেন সেতু ও অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ এবং অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ‘দুই উপজেলার কিছু সংখ্যক যাত্রী পরিবহন ছাড়া এ রাস্তায় তেমন যান চলাচল নেই মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটি বাতিলের ষড়যন্ত্র করছেন।

Manual6 Ad Code

সভায় সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ছরওয়ার আহমদ বলেন, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এ সড়ক একটি আন্তদেশীয় বাণিজ্য সড়ক। যার অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্রিটিশ আমল থেকেই স্বীকৃত। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক আমদানি-রপ্তানি পণ্য এই সড়ক দিয়ে পরিবহন করে জাতীয় মহাসড়কে যুক্ত হয়। এ ছাড়াও বিয়ানীবাজারের ২টি ও গোলাপগঞ্জের (কৈলাশটিলা) ৫টি গ্যাস কূপের তেল-গ্যাস প্রতিদিন বিরাট বিরাট লরি দিয়ে পরিবহন করা হয়। এই অবস্থায় মহাসড়ককে গুরত্বহীন দেখানোর বিষয়টি ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়।অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস জেবুল ইসলাম, মো. ময়নুল ইসলাম, নূরউদ্দিন লোদী, আনোয়ারুল ইসলাম অভি, গুলজার হোসেন, ওহিদুর রহমান চৌধুরী, জামাল খান, মাহমুদুল হাসান, দিলাল আহমদ ও প্রবাসী সংগঠক সাহমুদুল হাসান।

Manual2 Ad Code

Desk: K

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code