সেন্ট্রাল লন্ডনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন
লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago
Manual6 Ad Code
সেন্ট্রাল লন্ডনের কেনসিংটন টাউন হলে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, ব্যবসায়ী, কমিউিনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং হাই কমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের উপস্থিতিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়র আলম বলেন, অনেক মূল্যে পাওয়া এ স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যার্জনে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিকীকরণ নিশ্চিত করে উন্নয়নের মহাসড়কে আরোহন করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে যে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি তার জন্য ত্রিশ লক্ষাধিক মুক্তিযোদ্ধার রক্ত এবং দুই লক্ষাধিক মা-বোনকে ইজ্জত দিতে হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।
হাই কমিশনার মো: নাজমুল কাওনাইন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশী ও যুক্তরাজ্যের বন্ধুদের অনন্য ভূমিকার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। হাই কমিশনার তাঁর বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী ডিজিটাল সোনার বাংলা বাস্তবায়নে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করার জন্য প্রত্যেকের প্রতি আহবান জানান। হাই কমিশনার আগত অতিথিদের অনুষ্ঠানে উপস্থিতির জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ব্রিটিশ বাংলাদেশী শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।
এর আগে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিস্তারিত কর্মসূচীর মাধ্যমে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। হাই কমিশনার মোঃ নাজমুল কাওনাইন ২৬ মার্চ সকাল ১১ টায় হাই কমিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচীর সূচনা করেন। এরপর দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে হাই কমিশনারের সভাপতিত্বে এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ হাই কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে এই দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শুনানো হয়।