

সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে আজ বুধবার থেকে আগের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে। কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা আর কারফিউয়ের কড়াকড়ি কাটিয়ে ১২ দিন পর স্বাভাবিক সময়ে ফিরছে সরকারের অফিসসূচি।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার থেকে সব অফিস স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। অর্থাৎ সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে আগের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে।
এদিকে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সরকারি অফিস আদালতের মতো ব্যাংক ও পুঁজিবাজারও স্বাভাবিক সূচিতে ফিরছে। আজ থেকে দেশের সব ব্যাংকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। আর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্যাংকের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক।
পাঁচ দিন সীমিত সময়ে লেনদেনের পর দেশের পুঁজিবাজারও স্বাভাবিক সূচিতে ফিরছে। আজ থেকে আগের মতো সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হয়ে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত চলবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ব্যাংক বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন করলে পুঁজিবাজারও আড়াইটা পর্যন্ত লেনদেন করবে, আমাদের প্রস্তুতি আছে।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে ১৮ জুলাই থেকেই স্থবির হয়ে পড়েছিল রাজধানীর জনজীবন। একের পর এক হতাহতের ঘটনা ও বিভিন্ন স্থাপনায় তাণ্ডব চলানোয় উদ্বেগ ছড়ায়।
পরদিন ১৯ জুলাই রাত ১২টা থেকে দেশজুড়ে কারফিউ শুরু হয়। কারফিউর মধ্যে ২১ থেকে ২৩ জুলাই ছিল সাধারণ ছুটি।
কারফিউ কিছুটা শিথিল হলে ২৪ জুন অফিস খোলে। ওই দফায় বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা অফিস কার্যক্রম চলে।
ধারাবাহিকভাবে কারফিউ শিথিলের সময় বাড়ানো হলে এ সপ্তাহের রোব থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অফিস চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।
দিনের বেশির ভাগ সময় কারফিউ না থাকায় স্বাভাবিক চিত্র ফিরছে জনজীবনে। রাজধানীসহ সারা দেশে গণপরিবহন চলাচল বেড়েছে। দূরপাল্লার বাস ও লঞ্চও চলছে। তবে ট্রেন চলাচল এখনো শুরু হয়নি।