হাঁড়িভাঙা বাম্পার বিক্রির আশা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual1 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: সারাদেশে রয়েছে রংপুরের হাঁড়িভাঙা আমের খ্যাতি। চাহিদাও বেশ। দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। এই আমের বৈশিষ্ট্য হলো আঁশবিহীন ও মিষ্টি। একসময় বদরগঞ্জ উপজেলায় এই আমের ফলন হলেও এখন জেলার বিভিন্ন স্থানে হয়। আম চাষে অনেকের ভাগ্য বদলে গেছে। হয়েছেন স্বাবলম্বী। এরই ধারাবাহিকতায় এবার জেলায় আমের ফলন ভালো হয়েছে। এতে খুশি চাষিরা। ২০০ কোটি টাকার আম বিক্রির আশা করছেন তারা।

Manual4 Ad Code

জানা গেছে, ৩৫ বছর আগে থেকে রংপুরে হাঁড়িভাঙ্গা আম চাষ হচ্ছে। এই আমের বৈশিষ্ট্য হলো আঁশবিহীন, মিষ্টি ও সুস্বাদু। ছাল খুব পাতলা এবং আঁটি ছোট। প্রতিটি আমের ওজন ১৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম। সাধারণত জুনের তৃতীয় সপ্তাহে এই আম বাজারে আসে। তাই এবার ২০ জুন গাছ থেকে নামানো হবে হাঁড়িভাঙ্গা আম।

Manual3 Ad Code

একসময় বদরগঞ্জ উপজেলায় এই আমের ফলন হলেও এখন জেলার বিভিন্ন স্থানে হয় রংপুর নগরীর বড়বাড়ী, সদর উপজেলার সদ্যপুস্করণী ইউনিয়নের কাঁটাবাড়ি, বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর, পদাগঞ্জ, কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট সর্দারপাড়া ও মিঠাপুকুর উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে হাঁড়িভাঙা আমের বাগান রয়েছে। অন্যান্য বছর হাঁড়িভাঙ্গা আমে ১২০ থেকে ১৫০ কোটি ব্যবসা হলেও এবার ২০০ কোটি টাকার আম বিক্রির কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

Manual8 Ad Code

পদাগঞ্জ এলাকায় প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে হাঁড়িভাঙ্গা আম চাষ শুরু করেন আব্দুস সালাম। তার সফলতা দেখে ওই এলাকার চাষিরা আম চাষ শুরু করেন। এই এলাকার মাটি লাল ও কাদাযুক্ত হওয়ায় বছরে একবার ধান ছাড়া কোনও ফসল উৎপাদিত হতো না। সে কারণে এলাকার সবাই হাঁড়িভাঙ্গা আম চাষ শুরু করেন। এই সুনাম ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code