

ডেস্ক রিপোর্ট:
ডাবল হ্যাটট্রিক করে স্যামুয়েল বোয়েটেং তখনও নিজের আনন্দটা লুকিয়ে রেখেছেন। কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবে কিছুই বলতে চাননি। একপর্যায়ে সবুজ সঙ্কেত পেয়ে ঘানার অ্যাটাকার নিজের অনুভূতির কথা জানালেন।
আজ মুন্সীগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে.মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে রহমতগঞ্জ ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে। বোয়েটেং একাই ৬ গোল করে সবাইকে চমকে দেন। ২৩ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ঠাণ্ডা মাথার শটে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ৪৪ মিনিটে পূরণ করেন হ্যাটট্রিক।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল করেন ঘানার এই ফরোয়ার্ড। এই ম্যাচের ঝলকে ১০ গোল করে এক লাফে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন বোয়েটেং। ব্রাদার্স ইউনিয়নের চেক সিনে ৬ গোল নিয়ে নেমে গেলেন তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।
এর আগে ২০০৭ সালে পেশাদার লিগের প্রথম আসরে পল নোয়াচুকু ডাবল হ্যাটট্রিক পেয়েছিলেন। ২০০৬-২০০৭ মৌসুমে মোহামেডানের হয়ে করে চমক দেখান। এবার ১৭ বছর পর সেই রেকর্ড ছুঁলেন বোয়েটেং।
এই কীর্তি মনে করিয়ে দিতেই ডাবল হ্যাটট্রিক ম্যান বোয়েটেং বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘সুযোগ পেয়েছি, গোল করেছি। এজন্য দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এই আনন্দ বলে বোঝানো যাবে না। অনেক ভালো লাগছে।’
তবে ৬ গোল হবে, ম্যাচের আগে সেভাবে চিন্তা করেননি বোয়েটেং, ‘আসলে ডাবল হ্যাটট্রিক করবো, এমন লক্ষ্য বা ভাবনা একদমই ছিল না। সবার সহযোগিতায় আজ গোল হয়েছে।’