‘বাংলাদেশ ২.০’-এর জন্য সহায়তার প্রস্তাব আইএমএফ প্রধানের

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual4 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের এবং স্থানীয় জনগোষ্টির জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত ১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার সাহায্য প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে।

Manual8 Ad Code

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের এক পাশ্ব বৈঠকে এই ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

নতুন সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) থেকে ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডলার। মারাত্মক খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়া ৬ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গার জরুরি প্রয়োজন মেটানোই এই সহায়তার লক্ষ্য।

ইউএসএআইডি’র সহায়তায় মার্কিন কৃষি বিভাগের কমোডিটি ক্রেডিট কর্পোরেশন থেকে ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারসহ এই সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। এই অর্থ বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্টির জন্য আমেরিকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় ৫২ হাজার ২শ’মেট্রিক টন খাদ্যপণ্য ক্রয়, জাহাজীকরণ এবং বিতরণে সহায়তা করবে।

Manual6 Ad Code

এই অর্থায়ন রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্টি উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য,পুষ্টি এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যেমন আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটি, ইউনিসেফ এবং জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সহায়তা করবে।

২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সঙ্কট শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ২শ’ ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশকে। এরমধ্যে ২শ’ ১০ কোটি ডলার বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সংকট কবলিত রোহিঙ্গা জনগোষ্টির পাশে দাঁড়াতে এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য আন্তর্জাতিক দাতা দেশগুলোকেও একই ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নিয়েছে।

Manual6 Ad Code

এদের বেশিরভাগই মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অভিযানে ফলে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত করাকে ‘জাতিগত নিধন হিসেবে’ অভিহিত করেছে। অন্যান্য মানবাধিকার গোষ্ঠী এটিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। গত সাত বছরে একজন রোহিঙ্গাও নিজ দেশে ফেরত যায়নি। মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হলেও রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও আস্থার ঘাটতির কারণে প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টা দু’বার ব্যর্থ হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code