

সিরাজুল ইসলাম রতন গাইবান্ধা থেকে ঃ
মরন ব্যাধি করোনা ভাইরাস সংক্রোমন আতংকে রয়েছে গোটা বিশ্ব।বিশ্বের অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী করোনায় সবচেয়ে বেশি ঝুকির মধ্যে রয়েছে প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ। দেশের মানুষের কথা বিবেচনা করে এই ভাইরাসের সংক্রোমন এড়াতে বর্তমান সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে।ইতোমধ্যেই সরকারি ছুটি ঘোষনা,গনপরিবহন লকডাউন,ও সামাজিক যোগাযোগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা করতে মাঠে নামানো হয়েছে স্বসস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের।জনগুরুত্বপুর্ন হাট বাজার গুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পুলিশের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা মুলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।নিরাপদ দুরত্ব নিশ্চিত করতে বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের দুঃখ দুর্দশার কথা বিবেচনা করে সরকার ভিজিডি,ভিজিএফ,খাদ্যবান্ধব কর্মসুচী ১০ টাকা কেজি চাল,বিধবা ভাতা বয়স্ক ভাতা,টিসিবি,চালু রাখার পাশাপাশি প্রচুর ত্রান সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন।পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের বিত্তবান ব্যাক্তিদের প্রশাসনের মাধ্যমে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।এছারাও সরকারি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে সর্বসাধারনকে চলাচল করতে বলা হচ্ছে।সরকারের এত কিছুর পর ও কিছু মানুষ সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নির্বিঘ্নে চলাচল অব্যাহত রেখেছে।এমতবস্থায় গত বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর অবস্থান ঘোষনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এর ব্যত্যয় ঘটেনি পুলিশ বাহিনীতে।শুক্রবার থেকে তারা ও কঠোর অবস্থান গ্রহন করেছে।
শুক্রবার সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায় পলাশবাড়ী থানা পুলিশ কঠোর ভুমিকা পালন করছে।তারা সামাজিক যোগাযোগ এড়াতে কঠোর হয়েছেন।বিভিন্ন হাট বাজার হোটেল রেস্তোরায় জনসমাগম যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ রেখে টহল জোরদার করেছেন।ফলে অনেকটাই জনশুন্য হয়ে পরেছে পলাশবাড়ী উপজেলার জনগুরুত্বপুর্ন স্থান গুলো।