বড়পুকুরিয়া শ্রমিকদের আল্টিমেটাম : দাবি পূরণ না হলে খনি গেটে অবস্থান

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) :
বেতনভাতাসহ চার দফা দাবীতে গতকাল বুধবার ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক-কর্মচারীরা।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির প্রধান ফটকের সামনে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শাখা জাতীয় শ্রমিক লীগের যৌথ উদ্যোগে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শাখা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রতন, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মাহাবুবুল আলম, পর্যদ পরিচালক রায়হানুল ইসলমা, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মো. লিটন প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে চার দফা দাবি পূরণ করা না হলে ১৩ জুলাই সকাল থেকে পরিবার নিয়ে খনির গেটে অবস্থান কর্মসূচি পালনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়। চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, সরকার ঘোষিত বেতনভাতাসহ ১ হাজার ১৪৭ জন খনি শ্রমিককে তাদের স্ব-স্ব পদে যোগদান করানো, সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী শ্রমিকদের ঈদ বোনাস প্রদান, ফেস বোনাস প্রদান, এক্সএমসি-সিএমসি ও জেএসএমই কনসোর্টিয়ামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে যেসব স্থানীয় শ্রমিক স্থলাভিষিক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাদেরকে বেতনভাতা, ঈদ ও ফেস বোনাসসহ সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা প্রদান করা।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ও বড়পুকুলিয়া কয়লাখনি শাখা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রতন বলেন, গত ২৬ মার্চ থেকে কয়লাখনি লকডাউন করে দেওয়ার কারণে কর্মরত প্রায় এক হাজার খনি শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় গত দুই মাস অতিবাহিত করার পর খনি কর্তৃপক্ষ সীমিত অকারে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেন। এ সময় শ্রমিকদের নিয়োগকারী চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি, সিএমসি ও জেএসএমই কনসোর্টিয়াম ৪০০ শ্রমিক কাজে যোগদানের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে বেশির ভাগ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে থাকবেন। উপরোন্ত লকডাউনে থাকা অবস্থায় মার্চ থেকে এ পর্যন্ত কোন শ্রমিককেই কোন বেতনভাতা দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে খনি কর্তৃপক্ষের সাথে কয়েক দফায় আলোচনা করেও কোন সুরাহা হয়নি। এ কারণে বাধ্য হয়ে শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান খান বলেন, শ্রমিকদের বিষয়টি সমাধানের জন্য চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code