

কুষ্টিয়া ৩১ ডিসেম্বর ২০২০
আগামজাতের মুলকাটা পিয়াঁজ ক্ষেত থেকে তুলতে শুরু করেছেন কুষ্টিয়ার চাষীরা। পিঁয়াজের ফলনও ভাল হচ্ছে। তবে চাষীদের মুখে মধুর হাসির পরিবর্তে মৃদু হাসি বিরাজ করছে। কারণ পিঁয়াজের দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।
চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়া জেলায় ২,৮৬৪ (দুই হাজার আটশত চৌষট্টি) হেক্টর জমিতে মুলকাটা পিঁয়াজ চাষ হয়েছে যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী। মুলকাটা পিঁয়াজ সবচেয়ে বেশী চাষ হয়ে থাকে জেলার দৌলতপুরে। ২,২৬৪ (দুই হাজার দুইশত চৌষট্টি) হেক্টর জমিতে মুলকাটা পিঁয়াজ চাষ হয়েছে দৌলতপুরে। এখন মুলকাটা পিঁয়াজ ক্ষেত থেকে ঘরে তুলতে বা বাজারে সরবরাহ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। এবছর বীজের দাম বেশী হওয়ায় প্রতি বিঘা জমিতে পিঁয়াজ চাষে চাষীদের খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। বর্তমান বাজার মূল্য পেলেও চাষীরা লাভের মুখ দেখবেন। দৌলতপুরের রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ গ্রামের পিঁয়াজ চাষী আব্দুল জাব্বার ও রফিকুল ইসলাম জানান, পিঁয়াজের পাইকার মূল্য ৪০-৪২ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রয় করতে পারলেও তারা পিঁয়াজ চাষে লাভবান হবেন।
তবে পিঁয়াজ চাষে চাষীদের বীজ, সার সরবরাহ ও পরামর্শ দেওয়ায় পিঁয়াজের ফলন ভাল হচ্ছে এবং চাষীরা স্বপ্লসময়ের এ অর্থকরী ফসল চাষে লাভবান হবেন এমন কথা জানিয়েছেন দৌলতপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম।
মাঝে মধ্যেই পিঁয়াজ নিয়ে হৈচৈ পড়ে যায়। তবে এ হৈচৈ’র সুফল কখনও পান না চাষীরা। মধ্যস্বত্বভোগীরা সব সুবিধা ভোগ করে থাকেন। তাই চাষীরা যেন পিঁয়াজের ন্যায্য মূল পাই সে দিকটি খেয়াল রাখার দাবী সংশ্লিষ্টদের।