সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে যে কোন মুল্যে প্রতিহত করা হবে- নানক
লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago
Manual2 Ad Code
অশোক সরকার, শেরপুর বগুড়া থেকেঃ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। সেই অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে যে কোন মুল্যে প্রতিহত করা হবে।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টায় বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধু’ প্রকল্পের ধানকাটা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের উদ্যোগে এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ারের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের সদস্য সচিব কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ।
বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু,স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ম আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
উদ্বোধনী ভাষণে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আমাদের ইচ্ছে ছিলো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করা শস্যচিত্রের ধানকাটা উৎসব বড় আয়োজনের মাধ্যমে করা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে ধানকাটা উৎসব করা হচ্ছে। এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য উৎসর্গ করা বাংলার কৃষকের এক অন্যবদ্য শিল্পকর্ম।
তিনি আরো বলেন, ধর্মব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাসের চেয়েও ভয়ংকর। তারা নানা রুপ ধরে আসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করতে। তাই তাদের প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
পরে অতিথিবৃন্দ ১০০ বিঘা জমিতে রোপন করা গাঢ় বেগুনি ও সবুজ ধান কাটার উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারী শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে ১২০ বিঘা জমিতে দুই জাতের ধান লাগিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অংকন করা হয়। যাতে পাখির চোখে জাতির পিতার মুখায়বব ফুটে ওঠে।
এর পর ১৬ মার্চ গিনেস ওয়ার্ল্ড বুক অব রেকর্ড এই অপরূপ কারুকার্যকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।